সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাঁশঝাড়ে মিলল ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণ!

ইসমাম পারভেজ কনক



চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বাঁশঝাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দেড় কেজি ওজনের বারগুলোর আনুমানিক মূল্য ৭০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার চাকুলিয়া গ্রামের একটি বাঁশবাগান থেকে ওই স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি চুয়াডাঙ্গা-৬ জানায়, বিজিবি সদস্যরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে দামুড়হুদা উপজেলার চাকুলিয়া গ্রামের মাঠ দিয়ে স্বর্ণের বড় একটি চালান পাচার করা হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মো. শহিদুর রহমান ও নায়েব সুবেদার মো. আঙ্গুর ভূইয়ার নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে চাকুলিয়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী ওই মাঠে অভিযান চালায়।

এ সময় বিজিবি সদস্যরা ওই মাঠের একটি বাঁশবাগানের ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি প্যাকেট উদ্ধার করেন। ওই প্যাকেট থেকে ৯০ ভরি ওজনের ৯টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। 

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...