সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের বাজার তদারকি:জরিমানা আরোপ ও আদায়

ইসমাম পারভেজ কনক




১৩ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয় কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং জেলা প্রশাসক, কুষ্টিয়া মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কর্তৃক কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অত্র কার্যক্রম পরিচালনাকালে সদর উপজেলার ইবি থানাধীন ঝাউদিয়া বাজারে  বিভিন্ন ঔষধ সামগ্রী বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান, ফার্মেসী, নিত্য-প্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানসহ বাজারের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তদারকি করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে নিষিদ্ধ পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রয়রোধ, অবৈধ প্রক্রিয়ায় পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ রোধসহ, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য এবং অননুমোদিত ও অবৈধ পণ্য বিক্রয় না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয় এবং সকলকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রয়-বিক্রয় করার অনুরোধ জানানো হয়। উক্ত কার্যক্রম পরিচালনাকালে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘনজনিত বিভিন্ন অপরাধে ০৩ (তিন) টি প্রতিষ্ঠানকে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। জেলা পুলিশ কুষ্টিয়া, উপজেলা প্রশাসন কুষ্টিয়া সদর, সহকারী পরিচালক ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কুষ্টিয়া এবং জেলা চেম্বার অব্ কমার্স এর সহায়তায় উপর্যুক্ত তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। জনস্বার্থে এরূপ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...