সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ভাবীর ষড়যন্ত্রের শিকার দুই দেবর!


রিপোর্ট, 
এস এম রুলন উদ্দীন স্বাধীন 
কুমারখালী,কুষ্টিয়া। 



কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চর জগন্নাথপুর গ্রামের প্রবাসী বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ষড়যন্ত্রের শিকারে নিঃস্ব হতে বসেছে দুই দেবর। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে ভিটা ছাড়া করার প্রচেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ইউনুস আলী ও গ্রাম্য ডাক্তার  সজিব হোসেন জানান, গত ১৫ জানুয়ারী সকালে তার বড় ভাবী জোসনা খাতুন বাহামন্ডল, শাহামন্ডল, আমির সোহেল, রফিক, তার ভাবীর বাবা মলো বিশ্বাস,  ভাই আকরাম, শুকুর, সবুজ ও আকরামের জামাই সোলায়মানদের সাথে করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর হামলা করে। এ সময় তারা দুই ভাই ছাড়াও তাদের  আরেক ভাই  কামাল, চাচা আত্তাপউদ্দিন মোল্লা, চাচাত ভাই গাফ্ফার মন্ডল ও  মজিবর মন্ডল ঘটনাস্থলে থাকাকালীন  তার ভাবীর ভাড়াটিয়া গুন্ডা ও আত্মীয়দের দ্বারা আক্রান্ত হন। এসময় কামালের স্ত্রী সোনিয়া খাতুন ও সজিব আহত হন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কুমারখালী থানায় গেলে চর জগন্নাথপুরের রশিদ মন্ডল স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে বলেন। তারা থানায় অভিযোগ না দিলেও তার ভাবী থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে। এবং স্থানীয় ভাবে ও থানায় দুইবার বসে মিমাংসার চেষ্টা করা হলে তার ভাবী হাজির হননি।



 ইউনুস আলী আরো জানান  তারা বর্তমান ৮ জন অংশীদার জগন্নাথপুর মৌজার আরএস ৯৩৯ নং দাগের ১ একর ৪২ শতাংশ জমির রেকর্ডীয় মালিক মাহাতাব উদ্দিন ও নিজামউদ্দিনের নিকট থেকে ১৯৮৯ সালে ২০৯৯ নং দলিলে ৪১ শতাংশ, ১৯৯৮ সালে ২১১৭ নং দলিলে ২৬ শতাংশ এবং অপর রেকর্ডীয় মালিক লোকমান মোল্লার নিকট থেকে ১৯৯০ সালে ৩৯ শতাংশসহ মোট ১ একর ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে উত্তর অংশে দখল বুঝে নিয়ে যথাক্রমে নিজেদের মধ্যে মৌখিক এওয়াজের মাধ্যমে বসতবাড়ি ও দোকানঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছেন। এবং রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসূরী আফতাব উদ্দিন মোল্লা এই দাগের দক্ষিণ অংশে ৩৫ শতাংশ সম্পত্তি ভোগদখল করছিলেন। কিন্তু হটাৎ করেই তারা জানতে পারেন আফতাব উদ্দিন মোল্লা ২০২০ সালের শেষের দিকে তার ভাবী জোসনা খাতুনের নিকট তাদের বসবাসরত উত্তর অংশের কামাল মন্ডলের বসতবাড়ির অংশে হাতনকশায় দলিল প্রস্তুত করে কুমারখালী সাব রেজিস্ট্রার অফিসের মাধ্যমে ২৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। বিক্রির পর থেকেই জোসনা খাতুন বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছেন তাদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য। তিনি আরো বলেন আমরা ৩০ বছর যাবত বসবাস করছি উওর অংশে হটাৎ করেই আমাদের নিঃস্ব করার জন্য আফতাব মোল্লা তার ভাবী প্রভাবশালী জোসনা খাতুনের নিকট তাদের বসতবাড়ি উল্লেখ করে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। অথচ দক্ষিণ অংশে তার ৩৫ শতাংশ জমি রয়েছে।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...