সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ধীরগতির ইন্টারনেট পিছিয়ে দিচ্ছে দেশের উন্নয়ন

ইসমাম পারভেজ কনক

বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি যে উগান্ডার চেয়েও খারাপ, সেটা গত সপ্তাহের একটি রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। অবস্থাটা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন। বাংলাদেশের মানুষ দুই উপায়ে ইন্টারনেট পেয়ে থাকে। একটি হলো ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ড, আরেকটি হলো মোবাইল ইন্টারনেট। বাংলাদেশে পরিকল্পিত উপায়ে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি

বর্তমানে বাংলাদেশ তার জীবদ্দশায় সবচেয়ে ক্রিটিকাল সময় পার করছে। বাংলাদেশের জন্য এই দশকটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ জন্য যে, আমাদের তরুণ নাগরিকদের কাছ থেকে যে সুবিধাটুকু আমরা পেতে পারি, তার শ্রেষ্ঠ সময় হলো এই দশক। আগামী দশকে সেটা ম্যাচুউর হবে। এবং চল্লিশের দশকে গিয়ে বাংলাদেশ যেখানে দাঁড়াবে, সেটাই হবে পরবর্তী সময়ের বাংলাদেশ। তারপর গ্রোথ খুব ধীরগতির হবে। এটা আমার একার কথা নয়, বাংলাদেশ নিয়ে যারা ভাবেন, তারাও এর সঙ্গে একমত।

এই দশকে এসে বাংলাদেশ যেমন তার ৫০ বছরে পা দিল, একইভাবে নতুন একটি দশক শুরু করেছে, যা তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে। এই দশকে যদি এই দেশ একই উন্নয়ন ধরে রাখতে না পারে, তাহলে আর হলো না। এই বিশাল জনসংখ্যার দেশটিকে উন্নত জীবনযাত্রার স্বাদ আর পাওয়া হবে না।

তবে এই দশকের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টারনেটের গতি। বাংলাদেশ যেভাবে তার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছে, সেটা আরো বেশি বেগবান হতো যদি এই দেশের জনগণ পুরোপুরি ইন্টারেনেটের সুবিধাটুকু নিতে পারত। চলুন দেখে নিই, বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কোথায় কোথায় বড় আকারে ভুল করেছিল। তাহলেই বোঝা যাবে, এই দশকে আমরা সেটা কতটা করতে পারব।

 

নব্বইয়ের দশক

বাংলাদেশ মূলত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রবেশ করে নব্বইয়ের দশকে। এর আগে বাংলাদেশ আইবিএম-এর মেইনফ্রেম কম্পিউটার ছিল। সেটা বিশেষ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হতো। সাধারণ মানুষের, কিংবা সরকারের বড় কোনো কাজে সেগুলো ব্যবহৃত হতো না। তাই আমি শুরুটা করছি নব্বইয়ের দশক থেকেই।

এই দশকে এসে বাংলাদেশ তার প্রথম কম্পিউটার গ্র্যাজুয়েট বের করে। বুয়েটে তখন কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ানো শুরু হয়। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হয়। দেশে যথেষ্ট পরিমাণে লোকবল না থাকলে তো আর সেই ক্ষেত্রটি বেড়ে ওঠে না। সেই হিসেবে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পা রাখতে শুরু করে।

সারা পৃথিবীতেও তখন পারসোনাল কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়তে থাকে। বাংলাদেশেও তার ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। বাংলাদেশে তখন প্রথম কম্পিউটার কাউন্সিল গঠিত হয়। তারাই মূলত বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে চালিত করত। বাংলাদেশে তখন দুটি বিষয় ঘটল: ক) অনলাইন ইন্টারনেট প্রবর্তন, খ) মিলিনিয়াম (১৯৯৯ সাল থেকে ২০০০ সালে প্রবেশ)।

তখন খুব স্বল্পমাত্রায় বাংলাদেশের মানুষ চড়া দামে ইন্টারনেট পেতে শুরু করল। পাশাপাশি পুরো পৃথিবীতে ডেটা এন্ট্রি করার বিশাল একটি বাজার তৈরি হলো, যা ভারত নিয়ে নিল। বাংলাদেশ ওই বাজারে প্রবেশ করতে পারল না। এর মূল কারণ ছিল, বাংলাদেশ তখনো ওই বাজার ধরার জন্য প্রস্তুত ছিল না। ভারত আশির দশকেই যেভাবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিল, সেটা বাংলাদেশ পারেনি। ফলে বিলিয়ন ডলারের পুরো ব্যবসাটাই চলে যায় ভারতে।

ওই দশকে বাংলাদেশ বিনা মূল্য সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিল, যা তখন এই দেশ নেয়নি। ফলে বাংলাদেশ নিজেকে আরো পিছিয়ে দিল। গত শতকে বাংলাদেশ যা পেতে পারত, সেটা আর হলো না। ওই সুযোগটুকু ধরতে পারলে পরবর্তী দশকগুলো আরো ভালো হতো।

আমাদের নেতৃত্বের ভিশনটুকু তখনো গ্লোবাল মার্কেটের জন্য প্রস্তুত ছিল না।

 

এই শতাব্দীর প্রথম দশক

এই দশকে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার কিছুটা বেড়েছিল। পুরো বিশ্বেই তখন ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে। এবং ইন্টারনেটের উত্থান ওই সময়টাতেই। সিসকোর মতো বিশাল প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছিল শুধু ইন্টারনেটের গ্রোথকে সামনে রেখে। ওই প্রতিষ্ঠানটি তখনই ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হবে বলে প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

এই দশকের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি ছিল ভয়েস অভার আইপি (ভিওআইপি)। পুরো বিশ্ব যখন এই প্রযুক্তিকে বুকে জড়িয়ে নিচ্ছে, তখন বাংলাদেশ এই প্রযুক্তিকে নিষিদ্ধ করে দিল। তারা মনে করল, এর ফলে আন্তর্জাতিক ভয়েস কলের মুনাফা কমে যাবে। দেশের ভেতরেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল। ফলে এই প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ যুক্ত হলো না। দেশের মানুষকেও যুক্ত করল না।

ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এই প্রযুক্তিকে কাছে টেনে নিল। ইউরোপের একটি ছোট দেশ এস্টোনিয়ার চারজন প্রোগ্রামার তৈরি করে ফেলল স্কাইপ। এই উদাহরণটুকু এ জন্য দিলাম যে, প্রযুক্তিকে উন্মুক্ত রাখলে মানুষ কতটা ক্রিয়েটিভ হতে পারে, মানুষ কতটা জ্ঞানের দিক থেকে এগিয়ে যেতে পারে, সেটা বোঝানোর জন্য। সেই স্কাইপ আমরা এখনো ব্যবহার করছি। স্কাইপ হলো একটি উদাহরণ মাত্র। কিন্তু স্কাইপের মতো এমন অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছিল, যেগুলো পরবর্তী সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশাল অবদান রেখেছে।

বিশ্বের অনেক দেশ তার জনসংখ্যাকে তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে ফেলেছিল, যার সুবিধা তারা এখনো পাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেটা পারেনি। সে আটকে গিয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তিকে বাধা দিতে, মানুষকে যুক্ত করতে পারেনি। একটি জাতিকে কীভাবে প্রস্তুত করতে হয়, সেটা বুঝতে পারেনি। তারা ব্যস্ত হয়ে গেল চোর-পুলিশ খেলায়। ওই প্রযুক্তি উন্মুক্ত করে রাখলে বাংলাদেশের জনগণ এখন অনেক বেশি প্রস্তুত থাকত।

 ধীরগতির ইন্টারনেট

এই শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক

খুব নির্মোহভাবে যদি বলি, তাহলে গত দশক থেকেই আসলে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেছে। সরকার তার অনেক সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি এ খাতটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

গত দশকের শুরুতে ইন্টারনেটের ব্যবহার যতটা ছিল, সেটা অনেকাংশে বেড়েছে দশকটির শেষ ভাগে এসে। তবে বাংলাদেশ এই ব্যবহারকারী আগের দশকেই পেতে পারত, যদি সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পারত।

এই দশকে বাংলাদেশের মানুষ প্রাইভেট সেক্টরেও সেবা পেতে শুরু করেছে। ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা, ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-কমার্সগুলো আসতে শুরু করে, যেগুলো পৃথিবীর অনেক দেশ আরো ২০ বছর আগেই করে ফেলেছে। অর্থাৎ আমরা অন্তত ২০ বছরে পিছিয়ে থাকলাম।

আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা নিজেদের চেষ্টায় ফ্রিল্যান্সিং কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাংলাদেশে বসে বিশ্বের উন্নত দেশের কাজ করতে শুরু করে। তবে বিদেশ থেকে টাকা আনা নিয়ে হাজারো ঝক্কি পোহাতে হয়েছিল, যেগুলো এখন অনেকটাই ঠিক হয়ে এসেছে। কিন্তু এগুলোও আরো ১০ বছর আগেই ঠিক হয়ে যেতে পারত। শুধু নীতিগত কারণে পিছিয়ে যাওয়া। তারপরেও বলব, বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে বেশ ভালো একটি জায়গা করে নিয়েছে। এই কাজটিতে বাংলাদেশ আরো ভালো করতে পারত যদি সে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেটের ভালো গতি পৌঁছে দিতে এবং ডিজিটাল পেমেন্টটাকে সহজতর করতে পারত।

 

এই শতাব্দীর তৃতীয় দশক

এই দশকটি কেবল শুরু হয়েছে এবং এই দশকে আমরা যা করব, তার অনেক কিছুর ফল পাব আগামী দশকে গিয়ে। কিন্তু এই দশকে কাজটি না করলে সেটা আগামী দশকেও পাব না। কোনো কিছুই এমন নয় যে, একটা বোতাম চেপে দিয়ে তাড়াতাড়ি করে ফেলা যাবে। এগুলো করতে সময় লাগে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়।

যে কাজটি আরো দুই দশক আগেই হতে পারত, সেটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। সেটা হলো ইন্টারনেটের গতি, উন্নত মানের ইন্টারনেট। বাংলাদেশ এটাকে যদি ঠিক করতে পারত, তাহলে তার জিডিপি আরো ২ ভাগ বেড়ে যেত। কিন্তু আমরা এখনো সেখানে স্ট্রাগল করছি।

বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি যে উগান্ডার চেয়েও খারাপ, সেটা গত সপ্তাহের একটি রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। অবস্থাটা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন। বাংলাদেশের মানুষ দুই উপায়ে ইন্টারনেট পেয়ে থাকে। একটি হলো ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ড, আরেকটি হলো মোবাইল ইন্টারনেট। বাংলাদেশে পরিকল্পিত উপায়ে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি। ঢাকার চেয়ে জেলা শহরগুলোতে ইন্টারনেটের গতি এবং মূল্য বেশি। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত এখনো ঢাকাকেন্দ্রিক, যা মোটেও কাম্য নয়। ঢাকায় কিছু কিছু এলাকা ফাইবারের আওতায় এসেছে। কিন্তু সেগুলো আন্তর্জাতিক মানের নয়। আর এটাই যেহেতু মূল রাস্তা, সেই রাস্তাটুকু ভালো না হলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে এখন।

আর মোবাইল ইন্টারনেটের অবস্থা যে ভয়াবহ খারাপ, সেটা তো আমরা সবাই জানি। ঢাকা শহরের মানুষ কিছুটা ফোর-জির গতি পেলেও ঢাকার বাইরের অবস্থা খুবই নাজুক। এটা একটি ভিডিও কল করলেই বুঝতে পারবেন। এটা বোঝার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ার প্রয়োজন নেই। এটা মূলত হয়েছে মোবাইল অপারেটররা ঢাকার বাইরে তেমন বিনিয়োগ করেনি, যা তাদের লাইসেন্সের আওতায় করার কথা। এবং বাংলাদেশ যেহেতু এটাকে নিশ্চিত করতে পারেনি, তাই দেশ আরো ১০ বছরের বেশি সময় পিছিয়ে গেল। ভারতের একটি অজপাড়াগাঁয়ে বসে মানুষ যেভাবে লাইভ করতে পারে, বাংলাদেশের মানুষ সেটা জেলা শহরেই পারে না। তাহলে কোন দেশটি এগোবে?

এই দশকের বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সামনে তিনটি চ্যালেঞ্জ। প্রথমটি হলো, উন্নত মানের ইন্টারনেট, যা আরো ২০ বছর আগেই সমাধান হওয়ার দরকার ছিল। দ্বিতীয়টি হলো উন্নত বুদ্ধির মানুষ। তথ্যপ্রযুক্তি হলো এমন একটি খাত, যেখানে বুদ্ধির প্রয়োজন হয়। ফ্যাশন শো করে এ সমস্যার সমাধান হয় না। এর জন্য চাই প্রকৃত বুদ্ধিমান মানুষ। কিন্তু বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের ব্রেইন-ড্রেইনের ভেতর পড়ে গেছে। পৃথিবীর বড় বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ভালো লোকগুলোকে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে সেবা তৈরি করার মতো মানুষ এ দেশে থাকছে না। আমরা মূলত কনজ্যুমার হচ্ছি। আমাদের যদি প্রস্তুতকারকের ভূমিকায় আসতে হয়, তাহলে আরো ব্রেইন লাগবে। প্রয়োজন যারা বিদেশে চলে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে, যা মালয়েশিয়ার মাহাথির করেছিলেন। আর তৃতীয়টি হলো, ইন্টিলেকচুয়াল প্রোপার্টির কপিরাইট প্রটেকশন, যাতে বাংলাদেশ এখনো বেশ দুর্বল। মেধাস্বত্ব যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না যায়, তাহলে মেধাবীরা ওখানে থাকবে না। আর এই শিল্পে মেধার কোনো বিকল্প নেই।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ ভালো করবে। কিন্তু বারবার ভুল করলে সেই ভুলের মাশুল দিতে দিতেই একটি জাতি পিছিয়ে পড়ে। আমরা অন্যান্য খাতে যেমন ভালো করছি, তেমন এই খাতটিকে যদি আরো ভালো করতে হয়, এর থেকে পুরো সুবিধা নিতে হয়, তাহলে ওপরের তিনটি বিষয়কে শক্তভাবে ধরতে হবে। তখন ফলাফল না পাওয়ার তো কোনো কারণ আমি দেখি না। এ দেশ ভালো করবেই।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

কুষ্টিয়া হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে খারাপ সার্ভিসিং ও পার্সের দাম বেশী নেয়ার অভিযোগ

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়াতে হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে গাড়ি সার্ভিসিং বন্ধ করুন,এরা দিনে দুপুরে ডাকাতি করে কুষ্টিয়ার হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টার বিশাল বড় বাটপার।এখানে কেউ গাড়ী সার্ভিসিং করাবেন না।হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে আপনার গাড়ির কোনো পার্স নষ্ট না হলেও সেইটা নষ্ট বানিয়ে বিক্রি করে।তাছাড়া হোন্ডার সার্ভিসিং সেন্টারে সকল পার্সের দাম অনেক অনেক বেশী।এরা ১০০ টাকার পণ্য বিক্রি করে ৫০০ টাকায়।আর এদের পার্স আর কেউ বিক্রি করে না এই কথা বলে বেশী টাকা হাতিয়ে নেয়।তাছাড়া ১ বছর গেলেয় এরা সার্ভিসিং ফি নিয়ে থাকে।সার্ভিসিং ফি এর সাথে সাথে আরও যেকোনো পার্স বিক্রির চেষ্টা করে।এরা ১০ টাকা পার্স বিক্রি করে ৫০ টাকা।সাথে আবার সার্ভিস চার্জ।সকল পার্সের দাম বেশী এবং বাটপারি করার অভিযোগে আমি সার্ভিস সেন্টারে গিয়েছিলাম।আমার গাড়ির সামনের ব্রেক সু লাগবে বললাম।কিন্তু বললো নায়।আগে গাড়ির ব্রেক সু এর দাম দাম চেয়েছিল ৬০০ টাকা আর সার্ভিসিং ফি ২০০ টাকা।মোট লাগবে ৮০০ টাকা।কিন্তু আমি পরিবর্তন করি নাই।জানি এরা বাটপারি করতেছে।তারপরে আরও যাচাই বাচাই করার জন্য সময় নিলাম।আর যদি সাথে গাড়ির অন্য কোনো ধরনের ছোট কাজও করায়।তাহলে দ...

একই সাথে দুই পদে সরকারি বেতন-ভাতা নিচ্ছেন কানু!

ইসমাম পারভেজ কনক কানু কুমার নাথ - ছবি : সংগৃহীত চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সচিব কানু কুমার নাথ একই সাথে দুটি পদে গত দুই যুগ ধরে নিয়মিত চাকরি করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি এতদিন ধরে দুই পদের সরকারি বেতন-ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে এসেছেন। জানা গেছে, প্রতি মাসে তিনি সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। কানু কুমার নাথ একটি কলেজের বাংলা বিষয়ের এমপিওভুক্ত অধ্যাপক এবং একই সাথে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক ব্যক্তির দ্বৈত জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির তথ্য অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কানু কুমার নাথের একই সাথে দুই পদে চাকরি করার তথ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কানু কুমার নাথ চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার হেঁয়াকো বনানী ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিষয়ের অধ্যাপক। ১৯৯৪ সালে নিয়োগ পেয়ে তিনি এ কলেজে এমপিওভুক্ত হন এবং একই পদে কর্মরত আছেন ২৬ বছর ধরে। তথ্য গোপন করে তিনি একই সাথে ১৯৯৫ সাল থেকে ২৫ বছর ধরে হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে কর্মরত আছেন। ফটিকছড়ি উপজেলার হে...

যে কারণে সুবর্ণজয়ন্তীর ব্যানারে খালেদা জিয়ার ছবি নেই!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বছরব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যানারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি না থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ব্যানারে কেন খালেদা জিয়ার ছবি নেই। ব্যানারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সেখানেও দলীয় নেতাকর্মীরা আয়োজক কমিটির কঠোর সমালোচনা করছেন। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব ও বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।  তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মানেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। বাংলাদেশ মানেই জিয়া। তাই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে শুধু জিয়াকে ফোকাস করতে চেয়েছি। এ কারণে দলীয় চেয়ারপারসনের ছবি ব্যবহার করা হয়নি।’ বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘একই কারণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিও ব্যবহার করা হয়নি। তা ছাড়া এ কর্মসূচিটাকে আমরা সর্বজনীন করতে চেয়েছি, দলীয় নয়। এ কারণে জিয়ার ছবি ব্যবহার করেছি।’ আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘জিয়া থাকলে বিএনপি থাকবে। জিয়া থাকলেই খালেদা জিয়া থাকবেন, তারেক রহমান থাকবেন। তাই ব্যানারে খালেদা জিয়ার ছবি মু...

যে স্কুলে পড়ার খঁরচ বছরে ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা!

ইসমাম পারভেজ কনক সুইজারল্যান্ডের 'ইনস্টিটিউট লা রোসে' পৃথিবীর সবচেয়ে দামি স্কুল। যেখানকার এক বছরের টিউশন খরচ প্রায় ৮৭ হাজার পাউন্ড। অর্থাৎ ১ কোটি ২ লাখ টাকারও বেশি। পাহাড়ের কোলে বিশাল এলাকা জুড়ে এই স্কুলের দু'টি আলাদা ক্যাম্পাস রয়েছে। একটাতে হেমন্ত থেকে গরমকালের ছুটি পর্যন্ত সবাই থাকে। অন্যটাতে বছরের বাকি মাসগুলো।   স্কুলের ভিতরে রয়েছে সুইমিংপুল। বিশাল লাইব্রেরিতে রাখা ২০টির বেশি ভাষায় লেখা অসংখ্য বই। খেলার মাঠ থেকে শুরু করে উন্নতমানের ক্লাসরুম। এত বড় ক্যাম্পাস যে সেখানে স্কুল ছুটির পর ছাত্রছাত্রীরা শীতকালে স্কি করতেও বের হয়ে পড়ে কখনও কখনও।   এই স্কুলের নিয়মকানুন কিন্তু আর পাঁচটা সাধারণ স্কুলের মতোই। প্রতিদিন ক্লাসে, মিটিংয়ে, স্কুলের অনুষ্ঠানে ইউনিফর্ম পরেই থাকতে হয় ছাত্রছাত্রীদের। লেদার জ্যাকেট, জিন্সের জ্যাকেট, হাই হিল, শরীর দেখানো পোশাক পরা এখানে একদমই নিষেধ। অর্থাৎ দামি স্কুল হলেও, চিরাচরিত নিয়ম কিন্তু আছেই এখানে।  

নিখোঁজের দু'দিন পর বাড়ির পাশের আবর্জনা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার!

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়ার কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের মধ্য হোগলাপাড়া গ্রামে স্বামীর বসতবাড়ির পার্শ্ববর্তী আবর্জনার স্তুপ থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার  হয়েছে। শনিবার দুপুরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ ।  এলাকাবাসী জানান, ১ বছর আগে কুমারখালীর তেবাড়িয়া গ্রামের রেফাজের মেয়ে রেশমার সাথে হোগলাপাড়া গ্রামের ওহাবের ছেলে সুমনের বিয়ে হয়। নরসুন্দর সুমন মাদকাসক্ত থাকায় বিয়ের পর থেকে চলতে থাকে পারিবারিক কলহ। গত পরশু রাতে পারিবারিক কলহের পর থেকে রেশমা নিখোঁজ ছিল। শনিবার ভোরে বাড়ির পাশে দুর্গন্ধের উত্স খুঁজতে খড়ের আবর্জনা সরালে নিহত রেশমার লাশ দেখতে পাওয়া যায়। থানায় খবর দিলে  পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ  মজিবুর রহমান জানান, নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে তাকে ধরতে জোর চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে হত্যার সঠিক কারণ জানা যাবে।

কিশোরীর সম্ভ্রমের মূল্য ৩ লাখ টাকা : ধর্ষক গ্রেপ্তার!

ইসমাম পারভেজ কনক মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীর সম্ভ্রমের মূল্য ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছেন সমাজপতিরা। সংবাদকর্মীদের কাছে এ খবর পেয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ধর্ষক মুফতি আমির হামজাকে গভীর রাতে গ্রেপ্তার করেছে জাজিরা থানা পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার সকালে ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী এবং তার বাবাকে থানায় ডেকে নেয় পুলিশ। নির্যাতিত শিশুটির জবানবন্দির ভিত্তিতে জাজিরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯/১/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতার পিতা। ধর্ষণের শিকার মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। . শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের মাঝিরঘাট সংলগ্ন পাইনপাড়ার চরে অবস্থিত বায়তুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসায় ৯ বছর বয়সের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে। মুফতি হামজা স্থানীয় আজিজ শেখের ছেলে। মুফতি হামজা বিবাহিত এবং তার ১১ মাস বয়সের এক কন্যা সন্তান আছে। . বিশ্বস্ত সূত্রের ভিত্তিতে ঘটনার তিন দিন পর শরীয়তপুরের কয়েকজন সংবাদকর্মী শুক্রবার সরেজমিনে জানতে পারেন...

বন্ধ হচ্ছে বহু জিমেইল অ্যাকাউন্ট!

ইসমাম পারভেজ কনক প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল-এর মেইলিং সার্ভিস জিমেইল তাদের সেবা ব্যবহারকারীদের বহু অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির নতুন নিয়মের কারণে আগামী জুন মাস থেকে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী জুন থেকে গুগল ফটোজে বিনামূল্যে ছবি রাখার সুবিধাও তুলে নেয়া হবে। নতুন নীতি অনুযায়ী ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে যে সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলো ইনঅ্যাকটিভ রয়েছে, সেগুলো পুরোপুরি ডিলিট করে দেওয়া হবে। তবে এ নিয়ম কার্যকরের আগেই প্রত্যেক অ্যাকাউন্টধারীকে ই-মেইল মারফত সতর্কবার্তা পাঠানো হবে গুগলের পক্ষ থেকে। গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যবহারকারীরা আর বিনামূল্যে গুগল ফটোজ ব্যবহার করতে পারবেন না। এছাড়া যে সমস্ত অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা জিমেইল, গুগল ড্রাইভ, ডকুমেন্টস, শিটস, স্লাইডস, ড্রইংস, ফর্মস এবং জ্যামবোর্ড ফাইলস ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহার করেননি, তাদের সেই সমস্ত অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেওয়া হবে। অবশ্য, ইনঅ্যাক্টিভ অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের বিশ্বাসযোগ্য কন্টাক্টসদের কাছে তাদের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার...

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোর!

ইসমাম পারভেজ কনক   সংক্ষিপ্ত স্কোর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস:  ৪০৯ বাংলাদেশ ১ম ইনিংস:  ২৯৬ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস:  (আগের দিন ৪১/৩) ৫২.৫ ওভারে ১১৭ (বনার ৩৮, ওয়ারিক্যান ২, মেয়ার্স ৬, ব্ল্যাকউড ৯, জশুয়া ২০, জোসেফ ৯, কর্নওয়াল ১, গ্যাব্রিয়েল ১*; তাইজুল ২১-৪-৩৬-৪, নাঈম ১৫.৫-৫-৩৪-৩, মিরাজ ৬-১-১৫-১, আবু জায়েদ ১০-৪-৩২-২)। বাংলাদেশ ২য় ইনিংস :  (লক্ষ্য ২৩১) ৬১.৩ ওভারে ২১৩ (তামিম ৫০, সৌম্য ১৩, শান্ত ১১, মুমিনুল ২৬, মুশফিক ১৪, মিঠুন ১০, লিটন ২২, মিরাজ ৩১, তাইজুল ৮, নাঈম ১৪, আবু জায়েদ ০*; কর্নওয়াল ৩০-৫-১০৫-৪, জোসেফ ২-০-১৬-০, গ্যাব্রিয়েল ২-০-৮-০, ওয়ারিক্যান ১৬.৩-৪-৪৭-৩, ব্র্যাথওয়েট ১১-১-২৫-৩)। ফল:  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৭ রানে জয়ী। সিরিজ:  ২ ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২-০ ব্যবধানে জয়ী। ম্যান অব দা ম্যাচ:  রাকিম কর্নওয়াল। ম্যান অব দা সিরিজ:  এনক্রমা বনার।

অনলাইনে ৩টি সাইটে কাজ করে প্রতিমাসে ১০০০ ডলার ইনকামের উপায়।

ইসমাম পারভেজ কনক ০১★ পিটিসি সাইট বা স্টার ক্লিকসে প্রতিমাসে ২৫০ ডলার ইনকাম করতে যোগ দিন।লেখার উপর ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন। পিটিসি সাইট এখানে প্রতিদিন ১০ টি বা তার বেশী ADD লেখা কিছু সাইট থাকবে।সেখানে শুধু ক্লিক করতে হবে।একটা করে ক্লিক করতে হবে আর ব্যাকে আসতে হবে।প্রতি ক্লিকে একাউন্টে ডলার যোগ হবে।আর রেফারেল করতে পারলে ইনকাম আরও বৃদ্ধি পাবে। সব থেকে সহজ কাজ এইটা।প্রতিদিন মাত্র ১০ থেকে ২০ সেকেন্ড সময় লাগবে। রেজিষ্ট্রেশনের নিয়ম দেখুন। সাইন আপ বা রেজিষ্ট্রেশন করতে লেখার উপর ক্লিক করুন। অবশ্যয় ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড মনেে রাখতে হবে। রেজিষ্ট্রেশনের জন্য লেখার উপর ক্লিক করুন। ০২★★ জিপিটি সাইট বা সার্ভেতে প্রতিমাসে ৫০০ ডলার ইনকামের জন্য যোগ দিন ও রেজিষ্ট্রেশন করতে লেখার উপর ক্লিক করুন। জিপিটি সাইটে এড ক্লিক,সার্ভে এবং রেফারেল থেকে ইনকাম।সারাদিন যত গুলো ইচ্ছা সার্ভে করা যাবে।সার্ভে মানে আপনার নিজের সম্পর্কে ১০ টি করে প্রশ্ন করবে।প্রত্যেক প্রশ্নের অপশন দেয়া থাকবে।আপনাকে সিলেক্ট করে উত্তর দিতে হবে।প্রতি ১০ টি প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনাকে পেমেন্ট দেয়া হবে। রেজিষ্ট্রেশনের নিয়ম দেখুনঃ রেজিষ্ট্রেশন ...

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক ইমামের ইন্তেকাল!

ইসমাম পারভেজ কনক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমাম ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১ টা ১৫মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া রাত ১টা ২০ মিনিটে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত বেদনার সাথে জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব এইচ টি ইমাম রাত ১.১৫ টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। জানাজা এবং দাফনের বিষয়টি পরে অবহিত করা হবে।’