সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ধীরগতির ইন্টারনেট পিছিয়ে দিচ্ছে দেশের উন্নয়ন

ইসমাম পারভেজ কনক

বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি যে উগান্ডার চেয়েও খারাপ, সেটা গত সপ্তাহের একটি রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। অবস্থাটা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন। বাংলাদেশের মানুষ দুই উপায়ে ইন্টারনেট পেয়ে থাকে। একটি হলো ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ড, আরেকটি হলো মোবাইল ইন্টারনেট। বাংলাদেশে পরিকল্পিত উপায়ে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি

বর্তমানে বাংলাদেশ তার জীবদ্দশায় সবচেয়ে ক্রিটিকাল সময় পার করছে। বাংলাদেশের জন্য এই দশকটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এ জন্য যে, আমাদের তরুণ নাগরিকদের কাছ থেকে যে সুবিধাটুকু আমরা পেতে পারি, তার শ্রেষ্ঠ সময় হলো এই দশক। আগামী দশকে সেটা ম্যাচুউর হবে। এবং চল্লিশের দশকে গিয়ে বাংলাদেশ যেখানে দাঁড়াবে, সেটাই হবে পরবর্তী সময়ের বাংলাদেশ। তারপর গ্রোথ খুব ধীরগতির হবে। এটা আমার একার কথা নয়, বাংলাদেশ নিয়ে যারা ভাবেন, তারাও এর সঙ্গে একমত।

এই দশকে এসে বাংলাদেশ যেমন তার ৫০ বছরে পা দিল, একইভাবে নতুন একটি দশক শুরু করেছে, যা তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে। এই দশকে যদি এই দেশ একই উন্নয়ন ধরে রাখতে না পারে, তাহলে আর হলো না। এই বিশাল জনসংখ্যার দেশটিকে উন্নত জীবনযাত্রার স্বাদ আর পাওয়া হবে না।

তবে এই দশকের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টারনেটের গতি। বাংলাদেশ যেভাবে তার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছে, সেটা আরো বেশি বেগবান হতো যদি এই দেশের জনগণ পুরোপুরি ইন্টারেনেটের সুবিধাটুকু নিতে পারত। চলুন দেখে নিই, বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কোথায় কোথায় বড় আকারে ভুল করেছিল। তাহলেই বোঝা যাবে, এই দশকে আমরা সেটা কতটা করতে পারব।

 

নব্বইয়ের দশক

বাংলাদেশ মূলত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রবেশ করে নব্বইয়ের দশকে। এর আগে বাংলাদেশ আইবিএম-এর মেইনফ্রেম কম্পিউটার ছিল। সেটা বিশেষ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হতো। সাধারণ মানুষের, কিংবা সরকারের বড় কোনো কাজে সেগুলো ব্যবহৃত হতো না। তাই আমি শুরুটা করছি নব্বইয়ের দশক থেকেই।

এই দশকে এসে বাংলাদেশ তার প্রথম কম্পিউটার গ্র্যাজুয়েট বের করে। বুয়েটে তখন কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ানো শুরু হয়। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হয়। দেশে যথেষ্ট পরিমাণে লোকবল না থাকলে তো আর সেই ক্ষেত্রটি বেড়ে ওঠে না। সেই হিসেবে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে পা রাখতে শুরু করে।

সারা পৃথিবীতেও তখন পারসোনাল কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়তে থাকে। বাংলাদেশেও তার ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। বাংলাদেশে তখন প্রথম কম্পিউটার কাউন্সিল গঠিত হয়। তারাই মূলত বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে চালিত করত। বাংলাদেশে তখন দুটি বিষয় ঘটল: ক) অনলাইন ইন্টারনেট প্রবর্তন, খ) মিলিনিয়াম (১৯৯৯ সাল থেকে ২০০০ সালে প্রবেশ)।

তখন খুব স্বল্পমাত্রায় বাংলাদেশের মানুষ চড়া দামে ইন্টারনেট পেতে শুরু করল। পাশাপাশি পুরো পৃথিবীতে ডেটা এন্ট্রি করার বিশাল একটি বাজার তৈরি হলো, যা ভারত নিয়ে নিল। বাংলাদেশ ওই বাজারে প্রবেশ করতে পারল না। এর মূল কারণ ছিল, বাংলাদেশ তখনো ওই বাজার ধরার জন্য প্রস্তুত ছিল না। ভারত আশির দশকেই যেভাবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিল, সেটা বাংলাদেশ পারেনি। ফলে বিলিয়ন ডলারের পুরো ব্যবসাটাই চলে যায় ভারতে।

ওই দশকে বাংলাদেশ বিনা মূল্য সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছিল, যা তখন এই দেশ নেয়নি। ফলে বাংলাদেশ নিজেকে আরো পিছিয়ে দিল। গত শতকে বাংলাদেশ যা পেতে পারত, সেটা আর হলো না। ওই সুযোগটুকু ধরতে পারলে পরবর্তী দশকগুলো আরো ভালো হতো।

আমাদের নেতৃত্বের ভিশনটুকু তখনো গ্লোবাল মার্কেটের জন্য প্রস্তুত ছিল না।

 

এই শতাব্দীর প্রথম দশক

এই দশকে বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহার কিছুটা বেড়েছিল। পুরো বিশ্বেই তখন ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ছে। এবং ইন্টারনেটের উত্থান ওই সময়টাতেই। সিসকোর মতো বিশাল প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছিল শুধু ইন্টারনেটের গ্রোথকে সামনে রেখে। ওই প্রতিষ্ঠানটি তখনই ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হবে বলে প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

এই দশকের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি ছিল ভয়েস অভার আইপি (ভিওআইপি)। পুরো বিশ্ব যখন এই প্রযুক্তিকে বুকে জড়িয়ে নিচ্ছে, তখন বাংলাদেশ এই প্রযুক্তিকে নিষিদ্ধ করে দিল। তারা মনে করল, এর ফলে আন্তর্জাতিক ভয়েস কলের মুনাফা কমে যাবে। দেশের ভেতরেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল। ফলে এই প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ যুক্ত হলো না। দেশের মানুষকেও যুক্ত করল না।

ইউরোপ-আমেরিকাসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এই প্রযুক্তিকে কাছে টেনে নিল। ইউরোপের একটি ছোট দেশ এস্টোনিয়ার চারজন প্রোগ্রামার তৈরি করে ফেলল স্কাইপ। এই উদাহরণটুকু এ জন্য দিলাম যে, প্রযুক্তিকে উন্মুক্ত রাখলে মানুষ কতটা ক্রিয়েটিভ হতে পারে, মানুষ কতটা জ্ঞানের দিক থেকে এগিয়ে যেতে পারে, সেটা বোঝানোর জন্য। সেই স্কাইপ আমরা এখনো ব্যবহার করছি। স্কাইপ হলো একটি উদাহরণ মাত্র। কিন্তু স্কাইপের মতো এমন অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছিল, যেগুলো পরবর্তী সময়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশাল অবদান রেখেছে।

বিশ্বের অনেক দেশ তার জনসংখ্যাকে তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে ফেলেছিল, যার সুবিধা তারা এখনো পাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেটা পারেনি। সে আটকে গিয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তিকে বাধা দিতে, মানুষকে যুক্ত করতে পারেনি। একটি জাতিকে কীভাবে প্রস্তুত করতে হয়, সেটা বুঝতে পারেনি। তারা ব্যস্ত হয়ে গেল চোর-পুলিশ খেলায়। ওই প্রযুক্তি উন্মুক্ত করে রাখলে বাংলাদেশের জনগণ এখন অনেক বেশি প্রস্তুত থাকত।

 ধীরগতির ইন্টারনেট

এই শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক

খুব নির্মোহভাবে যদি বলি, তাহলে গত দশক থেকেই আসলে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেছে। সরকার তার অনেক সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি এ খাতটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

গত দশকের শুরুতে ইন্টারনেটের ব্যবহার যতটা ছিল, সেটা অনেকাংশে বেড়েছে দশকটির শেষ ভাগে এসে। তবে বাংলাদেশ এই ব্যবহারকারী আগের দশকেই পেতে পারত, যদি সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পারত।

এই দশকে বাংলাদেশের মানুষ প্রাইভেট সেক্টরেও সেবা পেতে শুরু করেছে। ইন্টারনেটভিত্তিক সেবা, ডিজিটাল পেমেন্ট, ই-কমার্সগুলো আসতে শুরু করে, যেগুলো পৃথিবীর অনেক দেশ আরো ২০ বছর আগেই করে ফেলেছে। অর্থাৎ আমরা অন্তত ২০ বছরে পিছিয়ে থাকলাম।

আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা নিজেদের চেষ্টায় ফ্রিল্যান্সিং কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাংলাদেশে বসে বিশ্বের উন্নত দেশের কাজ করতে শুরু করে। তবে বিদেশ থেকে টাকা আনা নিয়ে হাজারো ঝক্কি পোহাতে হয়েছিল, যেগুলো এখন অনেকটাই ঠিক হয়ে এসেছে। কিন্তু এগুলোও আরো ১০ বছর আগেই ঠিক হয়ে যেতে পারত। শুধু নীতিগত কারণে পিছিয়ে যাওয়া। তারপরেও বলব, বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সিং ক্ষেত্রে বেশ ভালো একটি জায়গা করে নিয়েছে। এই কাজটিতে বাংলাদেশ আরো ভালো করতে পারত যদি সে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেটের ভালো গতি পৌঁছে দিতে এবং ডিজিটাল পেমেন্টটাকে সহজতর করতে পারত।

 

এই শতাব্দীর তৃতীয় দশক

এই দশকটি কেবল শুরু হয়েছে এবং এই দশকে আমরা যা করব, তার অনেক কিছুর ফল পাব আগামী দশকে গিয়ে। কিন্তু এই দশকে কাজটি না করলে সেটা আগামী দশকেও পাব না। কোনো কিছুই এমন নয় যে, একটা বোতাম চেপে দিয়ে তাড়াতাড়ি করে ফেলা যাবে। এগুলো করতে সময় লাগে এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রয়োজন হয়।

যে কাজটি আরো দুই দশক আগেই হতে পারত, সেটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। সেটা হলো ইন্টারনেটের গতি, উন্নত মানের ইন্টারনেট। বাংলাদেশ এটাকে যদি ঠিক করতে পারত, তাহলে তার জিডিপি আরো ২ ভাগ বেড়ে যেত। কিন্তু আমরা এখনো সেখানে স্ট্রাগল করছি।

বাংলাদেশে ইন্টারনেটের গতি যে উগান্ডার চেয়েও খারাপ, সেটা গত সপ্তাহের একটি রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। অবস্থাটা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন। বাংলাদেশের মানুষ দুই উপায়ে ইন্টারনেট পেয়ে থাকে। একটি হলো ফাইবার অপটিক ব্রডব্যান্ড, আরেকটি হলো মোবাইল ইন্টারনেট। বাংলাদেশে পরিকল্পিত উপায়ে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠেনি। ঢাকার চেয়ে জেলা শহরগুলোতে ইন্টারনেটের গতি এবং মূল্য বেশি। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত এখনো ঢাকাকেন্দ্রিক, যা মোটেও কাম্য নয়। ঢাকায় কিছু কিছু এলাকা ফাইবারের আওতায় এসেছে। কিন্তু সেগুলো আন্তর্জাতিক মানের নয়। আর এটাই যেহেতু মূল রাস্তা, সেই রাস্তাটুকু ভালো না হলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে এখন।

আর মোবাইল ইন্টারনেটের অবস্থা যে ভয়াবহ খারাপ, সেটা তো আমরা সবাই জানি। ঢাকা শহরের মানুষ কিছুটা ফোর-জির গতি পেলেও ঢাকার বাইরের অবস্থা খুবই নাজুক। এটা একটি ভিডিও কল করলেই বুঝতে পারবেন। এটা বোঝার জন্য কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ার প্রয়োজন নেই। এটা মূলত হয়েছে মোবাইল অপারেটররা ঢাকার বাইরে তেমন বিনিয়োগ করেনি, যা তাদের লাইসেন্সের আওতায় করার কথা। এবং বাংলাদেশ যেহেতু এটাকে নিশ্চিত করতে পারেনি, তাই দেশ আরো ১০ বছরের বেশি সময় পিছিয়ে গেল। ভারতের একটি অজপাড়াগাঁয়ে বসে মানুষ যেভাবে লাইভ করতে পারে, বাংলাদেশের মানুষ সেটা জেলা শহরেই পারে না। তাহলে কোন দেশটি এগোবে?

এই দশকের বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সামনে তিনটি চ্যালেঞ্জ। প্রথমটি হলো, উন্নত মানের ইন্টারনেট, যা আরো ২০ বছর আগেই সমাধান হওয়ার দরকার ছিল। দ্বিতীয়টি হলো উন্নত বুদ্ধির মানুষ। তথ্যপ্রযুক্তি হলো এমন একটি খাত, যেখানে বুদ্ধির প্রয়োজন হয়। ফ্যাশন শো করে এ সমস্যার সমাধান হয় না। এর জন্য চাই প্রকৃত বুদ্ধিমান মানুষ। কিন্তু বাংলাদেশ এখন বড় ধরনের ব্রেইন-ড্রেইনের ভেতর পড়ে গেছে। পৃথিবীর বড় বড় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ভালো লোকগুলোকে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে সেবা তৈরি করার মতো মানুষ এ দেশে থাকছে না। আমরা মূলত কনজ্যুমার হচ্ছি। আমাদের যদি প্রস্তুতকারকের ভূমিকায় আসতে হয়, তাহলে আরো ব্রেইন লাগবে। প্রয়োজন যারা বিদেশে চলে গেছেন, তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে, যা মালয়েশিয়ার মাহাথির করেছিলেন। আর তৃতীয়টি হলো, ইন্টিলেকচুয়াল প্রোপার্টির কপিরাইট প্রটেকশন, যাতে বাংলাদেশ এখনো বেশ দুর্বল। মেধাস্বত্ব যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না যায়, তাহলে মেধাবীরা ওখানে থাকবে না। আর এই শিল্পে মেধার কোনো বিকল্প নেই।

আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ ভালো করবে। কিন্তু বারবার ভুল করলে সেই ভুলের মাশুল দিতে দিতেই একটি জাতি পিছিয়ে পড়ে। আমরা অন্যান্য খাতে যেমন ভালো করছি, তেমন এই খাতটিকে যদি আরো ভালো করতে হয়, এর থেকে পুরো সুবিধা নিতে হয়, তাহলে ওপরের তিনটি বিষয়কে শক্তভাবে ধরতে হবে। তখন ফলাফল না পাওয়ার তো কোনো কারণ আমি দেখি না। এ দেশ ভালো করবেই।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ব্যবিদ্যালয়ে নতুন মুখ

ইসমাম পারভেজ কনক   রেজিস্ট্রারসহ ইবির প্রশাসনিক তিন পদে নতুন মুখ অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন,আতাউর রহমান-সহীদ,উদ্দীন মোঃ তারেক। প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ তিন পদে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে রেজিস্ট্রার পদে আতাউর রহমান ও প্রধান প্রকৌশলী পদে মুন্সী সহীদ উদ্দীন মোঃ তারেক ভারপ্রাপ্ত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন এবং পরিবহন প্রশাসক পদে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেনকে এক বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) উপাচার্য অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার আইয়ুব আলী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়। পরে নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশ থেকে পরিবহন প্রশাসক ও প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগের বিষয়টি জানা যায়। অফিস আদেশে বলা হয়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম তাঁদেরকে নিয়োগ দিয়েছেন। আতাউর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান গ্রন্থাগারিকের দায়িত্ব থেকে পুনঃবিন্যাস ঘটিয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এবং উপ-প্রধান প্রকৌশলী মুন্সী সহিদ উদ্দীন মোঃ তারেককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্...

কুষ্টিয়ায় ট্রিপল মার্ডারের ময়নাতদন্ত শেষে যা জানা গেল!

ইসমাম পারভেজ কনক  কুষ্টিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তা এ এস আই সৌমেনের গুলিতে স্ত্রী,পুত্রসহ ৩ জন নিহতের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। রোববার রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় করা এই মামলার বাদি হন নিহত শাকিলের বাবা। একমাত্র আসামি পুলিশের এএসআই সৌমেন রায়। এদিকে হত্যাকারী পুলিশের বিরুদ্ধে দুটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ সোমবার দিনের কোনো একসময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আদালতে আনা হবে বলে জানা গেছে। রোববার সকাল ১১টায় কুষ্টিয়া শহরের কাষ্টমস মোড়ে এই লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যেই ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার পর তা নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে গেছেন । লাশ তিনটির ময়নাতদন্ত করেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তাপস কুমার সরকার।   তাপস কুমার সরকার সাংবাদিকদের জানান, তিনজনকে দুটি করে ছয়টি গুলি করা হয়েছে। প্রত্যেকের মাথায় কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে। প্রথমে শাকিল খানের ময়নাতদন্ত করা হয়। তার মাথার বাম পাশে গুলি করা হয়েছে। এ ছাড়া তার ডান পায়ের ঊরুতে গুলির চিহ্ন রয়েছে। এরপর আসমা খাতুনের ময়নাতদন্ত করা হয়। আসমার মাথা ও গলায় গুলির চিহ্ন রয়েছে। সবশেষে শিশু রবিনের (৬) ...

অল্প সুদে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা

ইসমাম পারভেজ কনক   ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ আসছে বলে জানিয়েছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম। এক্ষেত্রে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এই প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ৪ শতাংশ সুদে ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) করোনাকালে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ভূমিকা শীর্ষক এক ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব এসব কথা বলেন। প্রণোদনা প্যাকেজটি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য বৃহস্পতিবারই (১৪ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান সিনিয়র সচিব। আসাদুল ইসলাম বলেন, একটি প্রণোদনা প্যাকেজ অর্থমন্ত্রী অনুমোদন করেছেন। ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিতে যাচ্ছি। এটা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবো। অক্টোবর মাসে এটা নিয়ে একটি নীতিমালা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ২০ হাজার কোটি টাকার যে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছিল সেটার ডিসবার্সমেন্টটা ভালো ছিল না। অনেক চাপ প্রয়োগ করেছি, ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটা অনীহাও ছিল। আর একটা পরিস্থিতি তারা ফেস করেছে, সেটা হলো তাদের কাছে (ক্ষুদ্র উদ্য...

অনলাইনে বাস্তব ইনকাম পর্ব-০৬

ইসমাম পারভেজ কনক আপনি যদি নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন তাহলে নিশ্চয়  ফ্রিল্যান্সিং  বা  আউটসোর্সিং  এর মাধ্যমে  অনলাইনে আয়  করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু  অনলাইনে আয়  সে তো মরীচিকা, হয়তো অনেকবার চেষ্টা করেছেন কিন্তু সফল হননি। এই সেদিন আপনার পাশের বাড়ির কুদ্দুছ বা পরিচিত রহিমও টাকা পয়সার জন্য হা-হুতাশ করতো। কিন্তু  অনলাইনে ইনকাম  করে তাদের জীবন ধারাও পাল্টাতে শুরু করেছে। সারাক্ষণের সঙ্গী হাতের স্মার্টফোন বা মুভি দেখার কম্পিউটার টাই যদি হয়ে যায় আপনার উপার্জনের মাধ্যম, তাহলে নিশ্চয় মন্দ হয় না। আর আপনি যদি পরের অধীনে কাজ না করে স্বাধীন ভাবে আয় উপার্জন করতে চান তাহলে আপনার  ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার  শুরু করার জন্য এই লেখাটি হতে পারে সঠিক দিক নির্দেশনা।   কন্টেন্ট রাইটিং বা লেখালেখি ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জন করার অন্য আরেকটি জনপ্রিয় উপায় হল বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য কন্টেন্ট লেখা। আপনি বিভিন্ন ব্লগ, কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি, পন্য নিয়ে লিখতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের লেখার জন্য কন্টেন্ট রাইটাররা বিভিন্ন পরিমানে পারিশ্রমি...

‘রিলেশন থাকলেই ধর্ষণ-হত্যার অধিকার তো রাখে না’:আনুশকার মা

ইসমাম পারভেজ কনক কলাবাগানে ধর্ষণ-হত্যার শিকার ছাত্রীর মা বলেছেন, ‘বলা হচ্ছে, দিহানের সঙ্গে মেয়ের রিলেশন ছিল, মানলাম। কিন্তু রিলেশন থাকলেই ধর্ষণ বা মেরে ফেলার অধিকার তো রাখে না।’  গতকাল বুধবার নিজ বাসায় প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ৭ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগানে ধর্ষণের শিকার হয় ‘ও’ লেভেলে পড়ুয়া ছাত্রী। সেখান থেকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মেয়েটি মারা যায় বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।  এই মা বলেন, তাঁর মেয়েকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় একজন নয়, একাধিক মানুষ জড়িত ছিল। তিনি জড়িত সবার যথোপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।  মেয়েকে হারিয়ে এই মা বলেন, মেয়ে ২০ মিনিটের কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে আর ফিরে এল না।  মারা যাওয়া মেয়েটির রুমে বসেই কথা বলেন মা। মেয়ের রুম সাদা ও বাদামি রঙে ছিমছাম করে সাজানো। পড়ার টেবিলে পড়ে আছে পারিবারিক একটি অ্যালবাম। মেয়ের বইসহ অন্যান্য জিনিস সাজিয়ে রাখা আছে। মা জানালেন, মেয়ে হালকা রং পছন্দ করত। মেয়ের পছন্দেই ঘরের পর্দা কেনা হয়েছিল।    এই মা বলেন, ‘মেয়ে স্বেচ্ছায় সেখানে গেছে, তা বিশ্বাস করি না। অচেতন করে বা যেভাবেই হোক, মেয়েকে নেওয়া ...

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পাহাড়পুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফিরােজ আহমেদ কটার নেতৃত্বে দু'পক্ষের সংঘর্ষ হয়, আহত ৩ আজব শেখ (৫৫), রজব শেখ (৪৫), আমিরুল সেখ (৪৭),গতকাল ৬/জুলাই আনুমানিক রাত ৯/ টার দিকে তারা তিনজন বাঁধ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পাহাড়পুর গ্রামের মমিনের বাড়ির সামনে থেকে কটা মেম্বার এর নেতৃত্বে একদল দুবৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপরে হামলা করে ফলে তিনজনই গুরুতরভাবে আহত হয় তারা এখন কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

জিপিটি সাইটে কীভাবে রেজিষ্ট্রেশন করবেন?

ইসমাম পারভেজ কনক   জিপিটি সাইটের রেজিষ্ট্রেশন পিটিসি সাইটের মতই।তাই যারা পিটিসি সাইট খুলেছেন।তারা একইভাবে জিটিসি সাইট খুলুন।এখানে ক্লিক্সসেন্সের মাধ্যমে দেখানো হল।তবে সকল পিটিসি এবং জিটিসি সাইটের রেজিষ্ট্রেশন এবং লগিন সিস্টেম একই রকম। রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া এবার আসল কাজ শুরু। clixsense পলিসি অনুযায়ী সাইটে সাইনআপ করতে হলে আপনাকে কোন রেফারেল আইডি হয়ে রেজিঃ করতে হবে। কেননা, আপনি যখন Referral এবং Advertisement শুরু করবেন সেখানে ইনকাম বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক হবে। রেফারেল না হয়ে  সরাসরি সাইনআপ করতে পারবেন। তবে তা clixsense সার্ভারে  Non Improve ID হিসাবে রেকর্ড থাকবেন। আমি যখন Signup করেছিলাম তখন অন্য একটি Referral আইডির মাধ্যমে Pass করেছিলাম। যাইহোক এবার বিষয়টি আপনার ইচ্ছা কোন পদ্ধতিতে রেজিঃ করবেন! রেজিঃ করতে প্রথমে তাদের সাইটে যান  এখানে ক্লিক করুন। সেখান হইতে সাইনআপে ক্লিক করুন> নিম্নরুপ চিত্র আসবে > যাবতীয় তথ্যাদি পূরন করুন।তবে ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড অবশ্যয় মনে রাখবেন অথবা কোথাও লিখে রাখুন। First name অংশে নিজের আসল নামের  First name পূরন করে Last name দেন। ...

কুষ্টিয়ার বিত্তিপাড়া বাজারে সলিং ও ড্রেন নির্মাণ কাজে অনিয়ম

ইসমাম পারভেজ কনক  কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার উজান গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের বিত্তিপাড়া বাজারে  সলিং ও নিম্ন মানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা এ বিষয়ে অভিযোগ তুলেছে। স্থানীয় ইউপি দুই মেম্বর  ফরিদা ও স্কেন্দার বাজারটিতে এডিবির অর্থায়নে সলিং বাবদ-১০৭,৭০০/ =ড্রেন বাবদ ১৫৯,০০০/=  টাকার নির্মান কাজ পরিচালনা করছে।  কিন্তু নিম্নমানের ইট কাদা মিশ্রিত বালি দিয়ে নিম্নমানের কাজ করায় স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নিম্ন মানের ইট কাদা মিশ্রিত বালি যেটা নির্মান কাজের জন্য মোটেও উপযুক্ত নয় আর ইটের মাঝখানে কোন মশলা ছারাই কাজ করে ফেলছে এতে করে মজবুত না হওয়ায় সাথে সাথে ভেঙ্গে পরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। । তারা ভাল মানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে কাজ করার দাবি জানান। নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে কাজ করার কারনে স্থানীয়রা ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করার পর সাংবাদিক সরজমিনে গেলে এই চিত্র ফুটে উঠে।

ঠিকাদারি ব্যবসা ছেড়ে মাছ ও ফল চাষে বাজিমাৎ!

ইসমাম পারভেজ কনক   কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের আহম্মেদপুর এলাকার হযরত আলী (৬০) পেশায় ছিলেন একজন ঠিকাদার। বয়স বাড়ায় ছাড়তে হয়েছে এ পেশা। এরপর নিজেকে বেকার মনে হওয়ায় গড়ে তোলেন পুকুর, গরুর খামার আর মিশ্র ফলবাগান। আর তাতেই বাজিমাৎ। এখন তিনি এলাকায় উদ্যোক্তাদের রোল মডেলে পরিণত হয়েছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, খামারে মোট ২৪টি ছোট বড় পুকুরে বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ হচ্ছে। তার পাশেই আছে কাটিমন আম, পেয়ারা, লেবু, কমলা, মাল্টা, পেঁপেসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির গাছের ফলবাগান। বাগানের পাশেই একটি শেডে ৬টি গাভী পালন করা হয়। এই মিশ্র ফল বাগান ও খামার থেকে হযরত আলীর বার্ষরিক আয় ৫-৭ লাখ টাকা। আরও জানা গেছে, হযরত আলীর মাছ চাষ ও ফলবাগান দেখে গ্রাম ও আশপাশের এলাকার অনেকে উদ্বুদ্ধ। অনেকে একই উদ্যোগ নিয়ে এখন স্বাবলম্বীও হয়েছেন। প্রতিদিন তার বাগান দেখতে ভিড় করেন বহু মানুষ। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের আহম্মেদপুর এলাকার হযরত আলী (৬০) পেশায় ছিলেন একজন ঠিকাদার হযরত আলী জানান, তার বাড়ি কুষ্টিয়ায় হলেও সাতক্ষীরায় ব্যবসা ছিল। পেপার্স প্রিন্টিং প্রেস ও ঠিকাদারী ব্যবসা করতেন সেখানে। কিন্তু এখ...

কুষ্টিয়ার জোতপাড়া গ্রামে বিষপানে শামীম নামের এক যুবকের মৃত্যু

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উত্তর জোতপাড়া গ্রামের রজব আলী কটার  ছেলে হাসমত আলী  ওরফে শামীম  (১৯.০৬.২০২১) আনুমানিক  বিকেল ৫.৩০ মিনিটে  কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে  ইন্তেকাল করেন। জানা যায়,পারিবারিক কলোহের জেড়ে শামীম এক পর্যায়ে বিষপান করেন।বিষপানের পর তাঁকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সত্যই কি পারবারিক কলোহের জেড়ে বিষপান করে শামীম মারা গেল,নাকি অন্য কোনো কারণ আছে।সেইটা এখনও রহস্যই রয়ে গেছে।