সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়ার হরিপুরে মাদকের কারখানা!

ইসমাম পারভেজ কনক



 কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়ন এই ইউনিয়নে জন্ম ক্ষ্যাতি,গুনি ,হাজারো মানুষের, কয়েক লক্ষ বাসিন্দারা বসবাস করে
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে। এখন সেখানে হাত বাড়ালেই মিলছে মরন নেশার মাদক।
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সেখানে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত চলছে মাদক ব্যবসা, স্কুল শিক্ষাথী,কিশোর, বয়স্ক সকল পেশার মানুষের অবাধ চলছে মাদক সেবন।
স্থানীয়রা জানান, হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে যেখানে যেখানে মাদক সেবন ও মাদক ব্যাবসা চলে তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য, হরিপুরের ফারাজি পাড়ার মাঠ,মেছোপাড়ার গফুর হাজীর মোড়,রশিদ মোড়,কান্তিননগর শ্যানের মাঠ, মবের মোড় শহীদ মাহমুদ হোসেন সাচ্চু প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়,পুরাতন কুষ্টিয়া বাবা একদিল শাহ এর মাজার, হাটশ হরিপুর বাজার ব্যাংকের মাঠ সংলগ্ন ,হরিপুর বড় গোরস্থান।
আর এসব মাদকদ্রব্য ব্যবসা করে যুব সমজকে ধ্বংসকরণের মূল হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের প্রভাবশালী কতিপয় নেতারা। যারা মুখোশের আড়ালে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের মাদক ব্যাবসায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...