সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সামান্য বেতনে কাজ করা মাস্ক এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী !

ইসমাম পারভেজ কনক


ছবিটি দেখে নিশ্চয়ই চিনতে পারছেন না। অবশ্য না চেনারই কথা। কেননা হ্যাংলা-পাতলা সেই যুবকের ছিল না তখন কাড়ি কাড়ি টাকা, ছিল না কোনো জশ-খ্যাতি। তখনকার সেই যুবক সামান্য বেতনে একটা কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তবে স্বপ্ন এবং কাজের প্রতি ডেডিকেশনটা ছিল তার। সেই স্বপ্নই তাকে বানিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ ধনী। বলছিলাম বিশ্বের শীর্ষ ধনী টেসলা ও স্পেসএক্সের মালিক এলন মাস্কের কথা।
এলন মাস্কের পুরনো এ ছবিটি টুইটার দুনিয়ায় ভাইরাল। ছবিটি শেয়ার করেছেন প্রণয় পাথলে নামের এক ব্যক্তি। এরপই সেটি হাজার হাজার মানুষ রিটুইট করেছেন। বিষয়টি নজরে এসেছে এলন মাস্কেরও। সেটিকে তিনি সোনালি অতীত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ভাইরাল হওয়া ছবিটি ৯০ এর দশকের। তখন এলন মাস্ক ‘রকেট সায়েন্স’ নামের এক কোম্পানিতে জুনিয়র কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই যুবকই নিজ কর্মগুণে পরে হয়ে উঠলেন মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের মালিক।
জানা গেছে, ৯০ এর দশকে ওই ভিডিও কোম্পানির চাকরিটি এক সময় ছেড়ে দেন এলন মাস্ক। পরে তৈরি করেন নিজের কোম্পানি স্পেসএক্স। পরে প্রতিষ্ঠা করেন টেসলা নামে আরও একটি প্রতিষ্ঠান। এরপর আর কখনও পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এলন মাস্ক বনে গেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী।
এলন মাস্ক বর্তমানে পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ ধনী। আমাজনের প্রধান নির্বাহী কর্তা জেফ বেজোস আর এলন মাস্কের সম্পদের লড়াই সবসময়ই চলতে থাকে। সর্বশেষ হিসাবে এলন মাস্কই বিশ্বের শীর্ষ ধনী। যার সম্পদের পরিমাণ ১৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। তার বৈদ্যুতিক কার ব্যবসা রমরমা, এছাড়াও ফুলে ফেঁপে উঠেছে শেয়ারবাজারের দর। সবকিছু মিলিয়েই এগিয়ে যাচ্ছেন এলন মাস্ক।
 

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...