সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়া হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে খারাপ সার্ভিসিং ও পার্সের দাম বেশী নেয়ার অভিযোগ

ইসমাম পারভেজ কনক

কুষ্টিয়াতে হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে গাড়ি সার্ভিসিং বন্ধ করুন,এরা দিনে দুপুরে ডাকাতি করে

কুষ্টিয়ার হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টার বিশাল বড় বাটপার।এখানে কেউ গাড়ী সার্ভিসিং করাবেন না।হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে আপনার গাড়ির কোনো পার্স নষ্ট না হলেও সেইটা নষ্ট বানিয়ে বিক্রি করে।তাছাড়া হোন্ডার সার্ভিসিং সেন্টারে সকল পার্সের দাম অনেক অনেক বেশী।এরা ১০০ টাকার পণ্য বিক্রি করে ৫০০ টাকায়।আর এদের পার্স আর কেউ বিক্রি করে না এই কথা বলে বেশী টাকা হাতিয়ে নেয়।তাছাড়া ১ বছর গেলেয় এরা সার্ভিসিং ফি নিয়ে থাকে।সার্ভিসিং ফি এর সাথে সাথে আরও যেকোনো পার্স বিক্রির চেষ্টা করে।এরা ১০ টাকা পার্স বিক্রি করে ৫০ টাকা।সাথে আবার সার্ভিস চার্জ।সকল পার্সের দাম বেশী এবং বাটপারি করার অভিযোগে আমি সার্ভিস সেন্টারে গিয়েছিলাম।আমার গাড়ির সামনের ব্রেক সু লাগবে বললাম।কিন্তু বললো নায়।আগে গাড়ির ব্রেক সু এর দাম দাম চেয়েছিল ৬০০ টাকা আর সার্ভিসিং ফি ২০০ টাকা।মোট লাগবে ৮০০ টাকা।কিন্তু আমি পরিবর্তন করি নাই।জানি এরা বাটপারি করতেছে।তারপরে আরও যাচাই বাচাই করার জন্য সময় নিলাম।আর যদি সাথে গাড়ির অন্য কোনো ধরনের ছোট কাজও করায়।তাহলে দিতে হবে ১ হাজার টাকা।বাইরে থেকে অনেকেয় আসে।তাদের সারাদিন বসিয়ে রেখে ৫ গুণ বেশী টাকা চার্জ করে তাদের কাজ করে।হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে যেই পার্সের দাম ৬০০ টাকা।ইসলামিয়া অটোজে সেই একই পার্সের দাম ১৪০ টাকা।হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে সার্ভিস চার্জ ৪০০ টাকা।বাইরে সার্ভিস চার্জ মাত্র ৫০ টাকা।একই কাজ আমি বাইরে থেকে করালাম মাত্র ১৯০ টাকায়।হোন্ডা সার্ভিস সেন্টারে অরজিনাল জিনিস বিক্রি করে বলে ভুল বুঝানো হয়।এরা কম দামী পার্স কিনে বেশী দামে বিক্রি করে।মাঝে মাঝে ইসলাম অটোজ থেকে পণ্য ক্রয় করে এনেও এরা ৫ ডাবল দামে বিক্রি করে।সাথে আরও সার্ভিসিং চার্জ।কুষ্টিয়া শহরে সকল গাড়ির অরজিনাল পার্স পাওয়া যায়।আর হোন্ডার পার্স পৌরসভার সামনে ইসলাম অটোজে পাওয়া যায় অনেক কম দামে।আর বাইরে প্রচুর গাড়ি সার্ভিসিং এর জায়গা আছে।তাদের কাছ থেকে আপনারা ৫০ টাকা বা ১০০ টাকায় যেকোনো সার্ভিসিং করে নিতে পারবেন।হোন্ডার সার্ভিসিং সেন্টারের সবাইকে আগে বাটপারি প্রশিক্ষন দেয়া হয়।এরা একদিকে মিথ্যা কথা বলে পার্স বিক্রি করে।অন্যদিকে সার্ভিস চার্জ নেয়।আর যাদের ১ বছরে ফ্রি সার্ভিস আছে।তাদের কাছ থেকেও বকশিস নিয়ে সেইটা পুষিয়ে নেয়।আর পার্স তো বিক্রি করেয়।অনেকেয় দেখি গাড়ির সার্ভিসিং এর জন্য সার্ভিস সেন্টারে ভীড় করেন।আবার অনেক সময় ধরে বসেও থাকেন।তাদের মত গাধা লোকজন এই দেশে খুব কমই আছে।সার্ভিসিং সেন্টারের কর্মচারীরা সেইটা জানে।আর বাটপারি করে অনেক টাকা চার্জ কাটে।একবার ভেবে দেখুন।সার্ভিসিং সেন্টারে যদি সবাই গাড়ি সার্ভিস করে।তাহলে বাইরে প্রচুর গাড়ি সার্ভিসিং এর ঘর কেন?কারণ যারা বুদ্ধিমান লোকজন তারা বাইরে থেকে পার্স কিনে এবং এই সব ছোটখাট সার্ভিস সেন্টার থেকে সার্ভিসিং করে।
কুষ্টিয়াতে সব থেকে কম দামে ভালমানের উন্নত পার্স বিক্রি করে ইসলাম অটোজ।আর এখান থেকে পার্স কিনে কখনও ঠকবেন না।যদি বিশ্বাস না হয়।তাহলে এ যাবত সার্ভিসিং সেন্টার থেকে যত পার্স কিনেছেন,সেইসব পার্সের দাম জিজ্ঞেস করলেয় বুঝতে পারবেন।আর বাইরে থেকে পার্স লাগিয়ে নিলে মাত্র ১০০ টাকায় কাজ হয়ে যায়।সার্ভিসিং সেন্টারে যারা গাড়ি সার্ভিসিং করে তাদের থেকে হাজার গুণ ভালো সার্ভিস করে বাইরে।

সবাই সাবধান হন।ডাকাতের হাতের থেকে সাবধান হন।সার্ভিসিং সেন্টারে গাড়ি সার্ভিসিং করে নিজে আর ঠকবেন না এবং অন্যকেও নিষেধ করুন।বর্তমানে মোবেলের দাম বাড়িয়েছে।বাইরে থেকে একই মোবেলের দাম শুনে দেখবেন।আর অবশ্যয় পার্সের দামও শুনে দেখবেন।কতটা কম বেশী।

নীচে ইসলাম অটোজের ঠিকানা দেয়া হল।এখানে সকল গাড়ির সকল পার্স কম দামে পাবেন।
সবাই সাবধান হন।আবারও বলতেছি,সার্ভিসিং সেন্টারে সার্ভিস করা থেকে বিরত থাকুন।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...