সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যেসব কারণে ত্বক কালো হয়

ইসমাম পারভেজ কনক

ত্বক যেন পুড়ে ছাই। যেখানে সেখানে কালো দাগ। সেই দাগ ছোপের আড়ালে যেন আসল চেহারাটাই ঢেকে যায়। বেশিরভাগ নারীদের কাছে এটি সাধারণ একটি সমস্যা। তবে শুধুমাত্র রোদে পুড়ে ত্বক কালো হয় না। আরো বিভিন্ন কারণ রয়েছে স্কিন কালো হয়ে যাওয়ার পিছনে। ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে তাই আগে থেকেই জেনে রাখুন, কি কি কারণে ত্বক কালো হয়ে যায়-


হাইপার পিগমেন্টেশন: ত্বকের মধ্যে থাকে কোষ দ্বারা উত্‍পন্ন মেলানিন। এই রঞ্জক পদার্থটির পরিমাণের উপর নির্ভর করে ত্বকের রং কেমন হবে। সাদা না শ্যামলা নাকি কালো। ত্বকে মেলানিনের মাত্রা অতিরিক্ত হলে, তখন ত্বক কালো হয়ে যায়।

ভিটামিনের অভাব: ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য ভিটামিন এ, বি, সি এবং বি-কমপ্লেক্স খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি শরীরে এইসব উপাদানের অভাব থাকে, তা হলে ত্বক কালো হয়ে যায়। ম্লান দেখায়।


চামড়ার অসুখ: চর্মরোগের কারণেও অনেকসময় ত্বক পুড়ে যায় এবং কালো হয়ে যায়। লিচেন সিমপ্লেক্স ক্রনিকাসের মতো সমস্যার কারণে ত্বক মোটা হয়ে যায়। জ্বালা যন্ত্রণা দেখা দেয়। চামড়া কালো হয়ে যায়।

অপুষ্টি: শরীরে যদি সঠিক পুষ্টি না পৌঁছায়, তা হলেও ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে।


লিভারের সমস্যা: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ত্বক কালো হয়ে যাওয়ার পিছনে এই কারণটি দায়ী থাকে।

হরমোনের পরিবর্তন: বিভিন্ন বয়সে শরীরের হরমোনের পরিবর্তন হতে থাকে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হরমোন ক্ষরিত হয় শরীরে। যেমন, গর্ভাবস্থায় বা গর্ভনিরোধক ওষুধ খাওয়ার কারণে শরীরে যে হরমোন ক্ষরিত হয়, তার কারণেও ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে।

জিনগত কারণে: ত্বকের রং অনেক জিনের উপরও নির্ভর করে। বাবা-মায়ের গায়ের রং অনুযায়ী সন্তানের গায়ের রং হয়। তবে তার ব্যতিক্রমও আছে।

সূর্যের ক্ষতিকারক আলোকরশ্মি: ত্বক কালো হয়ে যায় সূর্যের ক্ষতিকারক আলোকরশ্মির কারণে। ক্ষতিকারক ইউভি-রেয়াস সংস্পর্শে আসা মাত্র ত্বকে মেলানিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা ত্বকে কালচে ভাব আনে। অত্যধিক সূর্যের সংস্পর্শে এলে ইউ-রে ত্বকের সুস্বাস্থ্য কেড়ে নেয় এবং ত্বককে ম্লান ও কালো করে।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...