সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়ায় পলিথিন কারখানায় অভিযান!

ইসমাম পারভেজ কনক


 কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে অবৈধ ও নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানার সন্ধান পেয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই’র সদস্যরা। ইতোমধ্যে কারখানায় অভিযান শুরু করেছে আইন-শৃঙ্ক্ষলা বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের গোবরা এলাকায় একটি কারখানায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট রাজীবুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে এই অভিযান শুরু হয়।অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর ও পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযানে অবৈধভাবে পলিথিন উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণের অভিযোগে কারখানা ও গোডাউনে অভিযান চালিয়ে কারখানাটি বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তবে অভিযান চলাকালীন কারখানা মালিককে পাওয়া যায়নি।
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খান জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অবৈধভাবে পলিথিন উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতককরণের অপরাধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ আওতায় কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
কারখানা ও গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ পলিথিন উৎপাদনের কাঁচামাল ও পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।
এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন- কুষ্টিয়া পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতাউর রহমান, কুষ্টিয়া জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) যুগ্ম পরিচালক ইদ্রিস আলী, সদস্য  সাজ্জাদ হোসেন ও সুমন বর্মন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর আলোকে ২০০২ সালে বাংলাদেশে পলিথিন নিষিদ্ধ করা হয়।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...