সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দিন যায়, সময় বাড়ে, কাজ আর শেষ হয় না!

ইসমাম পারভেজ কনক



 

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে নির্মাণাধীন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ প্রকল্পটি। নির্মাণ কাজের দীর্ঘসূত্রিতায় ইতোমধ্যে নির্ধারিত প্রারম্ভিক প্রকল্প ব্যয় তিনগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্মাণ পদ্ধতির ত্রুটির কারণে ছাদ ধসে শ্রমিকের মৃত্যুর মতো ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে দফায় দফায় সময় বৃদ্ধির অনুমোদন চেয়ে একনেক সভায় উপস্থাপিত উন্নয়ন প্রস্তাবনায় সংক্ষুব্ধ একনেক সভাপতি খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

জানা যায়, ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ২০১১ সালে মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ম্যাটস) ভবনে অস্থায়ীভাবে যাত্রা শুরু হয় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের। ২০১৩ সালে শহরের শহরতলীর লাহেনী এলাকায় ২০ একর জায়গার ওপর ২৭৫ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরে নির্মাণ শুরু হয় স্বপ্নের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ। ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা থাকলে আজও শেষ হয়নি কাজ।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতি, সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত, স্বাস্থ্য ও সংস্থাপন বিভাগের অব্যবস্থাপনা ও অস্বচ্ছতার সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে নির্মাণাধীন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ প্রকল্পটি।

সরেজমিন অনুসন্ধানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ নির্মাণ প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রীতার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে। কারণগুলো হলো- ২০০৮ সালের ডিপিপি দিয়ে ২০১৩ সালে কাজ শুরু, দুই প্রকৌশলীর দায়িত্বহীনতা, ছোট ছোট প্যাকেজে কাজ ভাগ করা, ছাদ ধসে পড়া, অনিয়মে কাজ বন্ধ থাকা ও প্রকল্প পরিচালকের অদক্ষতা।

গণপূর্ত অফিস, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের কথায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। শেষ পর্যন্ত ক্ষুদ্ধ হয়ে প্রকল্পের ষষ্ঠবারের সংশোধন আটকে দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্দেশ দিয়েছেন তদন্তের।

Kustia

সূত্র জানায়, পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পৃথকভাবে গঠিত একাধিক টিম অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে। তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম।

গণপূর্তের যশোর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাস কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রকল্পের সুপারভাইজার।

তিনি বলেন, ২০১২ সালের প্রকল্প, আর আমি আছি মাত্র দুই বছর। আমার সময়ে প্রকল্প রিভিশন হয়নি, সময় বা অর্থও বৃদ্ধি পায়নি।

কেন বারবার রিভিশন দরকার হচ্ছে, সময় ও অর্থ বাড়াচ্ছে বলে জানতে চাইলে মানিক লাল দাস বলেন, এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রকৌশলীরা ভালো বলতে পারবেন।

এই মানিক লাল দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে দীর্ঘদিন ধরে এ কাজের সঙ্গে থাকলেও তিনি সাইট পরিদর্শনে আসেন না ঠিকমতো। এর আগে অবহেলায় যে ছাদ ধসের ঘটনা ঘটে তাতে অন্যরা শাস্তি পেলেও তিনি থেকে যান ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। ঠিকাদারদের কাছ থেকে সুবিধা নেয়ার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

Kustia

এছাড়া অন্য ঠিকাদারদের যেখানে কাজের মেয়াদ শেষ, সেখানে ঠিকাদার জহুরুল ইসলামের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছেন ২০২২ সাল পর্যন্ত। অথচ ঠিকাদার জহুরুলের প্যাকেজের কাজেই ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি হাসপাতাল ভবনের বারান্দার ছাদ ধসে পড়ে। এরপর প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দায়িত্বে অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী, এসডি, এসওসহ ৪ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়। দুই জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ঘটনাও কাজে ধীরগতি আনে।

পরে ঠিকাদার জহুরুলকে কালো তালিকাভুক্ত করা হলেও তিনি পার পেয়ে যান আদালতে রিট করে। তবে নিজে কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি করেন মানিক লাল দাস। বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

তিনি বলেন, প্রকল্পের বাজেট-পরিকল্পনা পাস করা এবং টেন্ডার করার দায়িত্ব আমার। সব ডিপিপি হেড অফিস থেকে করা হয়েছে। এর আগে পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) দুই বার দেখেছে, তারা বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন।

তবে এই প্রকল্পের শুরু থেকেই সমস্যা আছে। ২০০৮ এর শিডিউল অনুযায়ী, প্রকল্প পাস হয় ২০১২ সালে। প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২৭৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ২০১৩ সালে শিডিউল পরিবর্তন হয়েছে। তখন টেন্ডার করা যাচ্ছিল না। কারণ শিডিউল পরিবর্তন করায় উপকরণের মূল্য বেড়ে যায়।

২০১৪তে আবার শিডিউল পরিবর্তন হয়। দুই দফায় ব্যয় বেড়ে যায়। মানিক লালের দাবি, এসব ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা এককভাবে দায়ী নন। প্রকল্পের রিভিশন পাস হয়েছে ২০১৮ সালে।

তিনি মনে করেন এই রিভিশন প্রথমেই অর্থাৎ ২০১২ সালেই পাস করা উচিত ছিল। তখনকার যেসব কর্মকর্তা বিশেষ করে কুষ্টিয়া গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন তার গাফিলতির কারণেই প্রকল্প এত সংকটে পড়েছে। ২০১৩ সালে কাজ শুরুর পর ডিপিপির দর নিয়ে ফাইল চালাচালিতে সময় চলে যায়। কাজের শুরুতেই সব উপকরণের বাজার দর বেড়ে যায়। তাই নকশা অনুযায়ী প্রতিটি ভবন শেষ না হতেই বরাদ্দকৃত অর্থ ফুরিয়ে যায়। বাজেটের মধ্যে কাজ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ার শঙ্কাও দেখা দেয়।

ছয়তলা ভবনের জন্য যে বাজেট দেয়া হয়েছিল, তা দিয়ে নির্মাণ করা হয় চারতলা ভবন। ২০০৮ সালের রেট দিয়ে ২০১৩ সালে কাজ শুরু করায় এ সমস্যা দেখা দেয়। তবে বিষয়টি গোপন রাখেন তখনকার কয়েকজন প্রকৌশলী। আইএমইডির নজরে আনার কথা থাকলেও তা না করে কাজ চালিয়ে যান ঠিকাদার ও প্রকৌশলীরা।

কাজের মূল্যায়ন করতে পরিদর্শনে এসে আইএমইডির টিমের সদস্যরা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রতিবেদন দেন। তদন্তে কেটে যায় দুই বছর। অর্থ ছাড়ও বন্ধ হয়ে যায়।

তখন এ প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন ডা. ইফতেখার মাহমুদ। তিনি একইসঙ্গে অধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি প্রকল্প পরিচালনায় দক্ষ না হওয়ায় গণপূর্ত বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা দেখা দেয়। ২০১২ সালে যখন টেন্ডার আহ্বান করা হয়, তখন কুষ্টিয়া গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন শাহিন মিয়া।

গণপূর্ত অফিস থেকে জানা গেছে, তিনি সে সময় একসঙ্গে ছয়টি ভবনের টেন্ডার করেন। টেন্ডার শেষে কাজ শুরুর আগেই বিল দেন ঠিকাদারদের। বিল পেয়ে কাজ শুরু করতে গড়িমসি করেন ঠিকাদাররা।

অভিযোগ আছে, তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিন মিয়া ঠিকাদারদের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকার বেশি কমিশন নিয়ে ঢাকায় পোস্টিং বাগিয়ে নিয়ে চলে যান।

Kustia

এরপর যোগ দেন মোহাম্মদ শহিদ কবির। তিনিও কমিশন বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। ঠিকাদারদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে হাতিয়ে নেন কোটি টাকা।

তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিন মিয়া বলেন, তারা যথাযথ নিয়ম মেনে টেন্ডার করেছিলেন। কোনো অনিয়ম হয়েছে বলে তার জানা নেই।

এই দুই প্রকৌশলী ডিপিপি ক্রয় পরিকল্পনায় ব্যত্যয় ঘটিয়ে লিমিটেড (এলটিএম) টেন্ডার করেন। ক্রয় পরিকল্পনায় ছিল প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বান বা ওপেন (ওটিম) টেন্ডার। এলটিএম টেন্ডার করায় সরকারের খরচ বৃদ্ধি পায়। আর ছোট ছোট প্যাকেজ করার কারণে দেশের নামিদামি ঠিকাদাররা এ কাজে আগ্রহ দেখান না। এ কারণে যেসব ঠিকাদার কাজ করছেন, তাদের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অন্য ঠিকাদাররা।

২০১৮ সালে নতুন করে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থছাড় করা হয়। ২০১৯ সালে নতুন করে দায়িত্ব দেয়া হয় তরুণ প্রকৌশলী আরিফুল ইসলামকে। এ কর্মকর্তা যোগ দেয়ার পর দ্রুত কাজ শেষ করার পদক্ষেপ নেন। একই সঙ্গে প্রতিটি কাজের মান যাচাই করে বিল দেয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তার সময় পুরো চত্বরের বালু ভরাটের কাজ, প্রাচীর নির্মাণ, একাডেমিক ভবন, ছাত্র-ছাত্রী হোস্টেল, চিসিৎসক ও নার্স ডরমেটরি ও মূল হাসপাতাল ভবনের কাজও প্রায় শেষের দিকে।

গত ১৪ জানুয়ারি লাহিনী এলাকায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে গিয়ে কাজ চলমান অবস্থায় দেখা যায়। তবে এত বড় প্রকল্পে যে সংখ্যক শ্রমিক কাজ করার কথা তা দেখা যায়নি। ৬টি প্যাকেজে ২০/২৫ জন করে কাজ করতে দেখা যায়।

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ভবনের পিডি আমিনুল ইসলাম বলেন, নতুন করে জমি অধিগ্রহণ ও আরও কিছু ভবন নির্মাণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। আর আগের যেসব কাজ চলমান, তা শেষের পথে। নতুন বছরেই নতুন ক্যাম্পাসে ছোট ছোট করে হলেও সব কার্যক্রম শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি।

২০২২ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ ধরে সংশোধিত প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ৭৪২ কোটি টাকা। কিন্তু ২০২০ সালের ১২ মার্চ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় ৬৮২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়, মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয় ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত। কিন্তু একনেকের বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে তা প্রধানমন্ত্রী বাতিল করে তদন্তের নির্দেশ দেন।

কাজের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে ক্ষুদ্ধ স্থানীয়রাও। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সরোয়ার জাহান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাসের বাণী শুনে কেটে গেছে ৯টি বছর। এখন আমাদের নবম ব্যাচ চলছে। ইতোমধ্যে ৪টি ব্যাচ এখান থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য সেবায় যোগদান করেছেন। জোড়াতালি দিয়ে কোনো রকম চিকিৎসা শাস্ত্রে শিক্ষাদান করতে শিক্ষক এবং শিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীরা নানাবিধ সমস্যার মধ্যে আছে।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

কুষ্টিয়া হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে খারাপ সার্ভিসিং ও পার্সের দাম বেশী নেয়ার অভিযোগ

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়াতে হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে গাড়ি সার্ভিসিং বন্ধ করুন,এরা দিনে দুপুরে ডাকাতি করে কুষ্টিয়ার হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টার বিশাল বড় বাটপার।এখানে কেউ গাড়ী সার্ভিসিং করাবেন না।হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে আপনার গাড়ির কোনো পার্স নষ্ট না হলেও সেইটা নষ্ট বানিয়ে বিক্রি করে।তাছাড়া হোন্ডার সার্ভিসিং সেন্টারে সকল পার্সের দাম অনেক অনেক বেশী।এরা ১০০ টাকার পণ্য বিক্রি করে ৫০০ টাকায়।আর এদের পার্স আর কেউ বিক্রি করে না এই কথা বলে বেশী টাকা হাতিয়ে নেয়।তাছাড়া ১ বছর গেলেয় এরা সার্ভিসিং ফি নিয়ে থাকে।সার্ভিসিং ফি এর সাথে সাথে আরও যেকোনো পার্স বিক্রির চেষ্টা করে।এরা ১০ টাকা পার্স বিক্রি করে ৫০ টাকা।সাথে আবার সার্ভিস চার্জ।সকল পার্সের দাম বেশী এবং বাটপারি করার অভিযোগে আমি সার্ভিস সেন্টারে গিয়েছিলাম।আমার গাড়ির সামনের ব্রেক সু লাগবে বললাম।কিন্তু বললো নায়।আগে গাড়ির ব্রেক সু এর দাম দাম চেয়েছিল ৬০০ টাকা আর সার্ভিসিং ফি ২০০ টাকা।মোট লাগবে ৮০০ টাকা।কিন্তু আমি পরিবর্তন করি নাই।জানি এরা বাটপারি করতেছে।তারপরে আরও যাচাই বাচাই করার জন্য সময় নিলাম।আর যদি সাথে গাড়ির অন্য কোনো ধরনের ছোট কাজও করায়।তাহলে দ...

একই সাথে দুই পদে সরকারি বেতন-ভাতা নিচ্ছেন কানু!

ইসমাম পারভেজ কনক কানু কুমার নাথ - ছবি : সংগৃহীত চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সচিব কানু কুমার নাথ একই সাথে দুটি পদে গত দুই যুগ ধরে নিয়মিত চাকরি করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি এতদিন ধরে দুই পদের সরকারি বেতন-ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে এসেছেন। জানা গেছে, প্রতি মাসে তিনি সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। কানু কুমার নাথ একটি কলেজের বাংলা বিষয়ের এমপিওভুক্ত অধ্যাপক এবং একই সাথে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক ব্যক্তির দ্বৈত জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির তথ্য অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কানু কুমার নাথের একই সাথে দুই পদে চাকরি করার তথ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কানু কুমার নাথ চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার হেঁয়াকো বনানী ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিষয়ের অধ্যাপক। ১৯৯৪ সালে নিয়োগ পেয়ে তিনি এ কলেজে এমপিওভুক্ত হন এবং একই পদে কর্মরত আছেন ২৬ বছর ধরে। তথ্য গোপন করে তিনি একই সাথে ১৯৯৫ সাল থেকে ২৫ বছর ধরে হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে কর্মরত আছেন। ফটিকছড়ি উপজেলার হে...

যে কারণে সুবর্ণজয়ন্তীর ব্যানারে খালেদা জিয়ার ছবি নেই!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বছরব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যানারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি না থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ব্যানারে কেন খালেদা জিয়ার ছবি নেই। ব্যানারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সেখানেও দলীয় নেতাকর্মীরা আয়োজক কমিটির কঠোর সমালোচনা করছেন। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব ও বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।  তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মানেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। বাংলাদেশ মানেই জিয়া। তাই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে শুধু জিয়াকে ফোকাস করতে চেয়েছি। এ কারণে দলীয় চেয়ারপারসনের ছবি ব্যবহার করা হয়নি।’ বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘একই কারণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিও ব্যবহার করা হয়নি। তা ছাড়া এ কর্মসূচিটাকে আমরা সর্বজনীন করতে চেয়েছি, দলীয় নয়। এ কারণে জিয়ার ছবি ব্যবহার করেছি।’ আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘জিয়া থাকলে বিএনপি থাকবে। জিয়া থাকলেই খালেদা জিয়া থাকবেন, তারেক রহমান থাকবেন। তাই ব্যানারে খালেদা জিয়ার ছবি মু...

যে স্কুলে পড়ার খঁরচ বছরে ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা!

ইসমাম পারভেজ কনক সুইজারল্যান্ডের 'ইনস্টিটিউট লা রোসে' পৃথিবীর সবচেয়ে দামি স্কুল। যেখানকার এক বছরের টিউশন খরচ প্রায় ৮৭ হাজার পাউন্ড। অর্থাৎ ১ কোটি ২ লাখ টাকারও বেশি। পাহাড়ের কোলে বিশাল এলাকা জুড়ে এই স্কুলের দু'টি আলাদা ক্যাম্পাস রয়েছে। একটাতে হেমন্ত থেকে গরমকালের ছুটি পর্যন্ত সবাই থাকে। অন্যটাতে বছরের বাকি মাসগুলো।   স্কুলের ভিতরে রয়েছে সুইমিংপুল। বিশাল লাইব্রেরিতে রাখা ২০টির বেশি ভাষায় লেখা অসংখ্য বই। খেলার মাঠ থেকে শুরু করে উন্নতমানের ক্লাসরুম। এত বড় ক্যাম্পাস যে সেখানে স্কুল ছুটির পর ছাত্রছাত্রীরা শীতকালে স্কি করতেও বের হয়ে পড়ে কখনও কখনও।   এই স্কুলের নিয়মকানুন কিন্তু আর পাঁচটা সাধারণ স্কুলের মতোই। প্রতিদিন ক্লাসে, মিটিংয়ে, স্কুলের অনুষ্ঠানে ইউনিফর্ম পরেই থাকতে হয় ছাত্রছাত্রীদের। লেদার জ্যাকেট, জিন্সের জ্যাকেট, হাই হিল, শরীর দেখানো পোশাক পরা এখানে একদমই নিষেধ। অর্থাৎ দামি স্কুল হলেও, চিরাচরিত নিয়ম কিন্তু আছেই এখানে।  

নিখোঁজের দু'দিন পর বাড়ির পাশের আবর্জনা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার!

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়ার কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের মধ্য হোগলাপাড়া গ্রামে স্বামীর বসতবাড়ির পার্শ্ববর্তী আবর্জনার স্তুপ থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার  হয়েছে। শনিবার দুপুরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ ।  এলাকাবাসী জানান, ১ বছর আগে কুমারখালীর তেবাড়িয়া গ্রামের রেফাজের মেয়ে রেশমার সাথে হোগলাপাড়া গ্রামের ওহাবের ছেলে সুমনের বিয়ে হয়। নরসুন্দর সুমন মাদকাসক্ত থাকায় বিয়ের পর থেকে চলতে থাকে পারিবারিক কলহ। গত পরশু রাতে পারিবারিক কলহের পর থেকে রেশমা নিখোঁজ ছিল। শনিবার ভোরে বাড়ির পাশে দুর্গন্ধের উত্স খুঁজতে খড়ের আবর্জনা সরালে নিহত রেশমার লাশ দেখতে পাওয়া যায়। থানায় খবর দিলে  পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ  মজিবুর রহমান জানান, নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে তাকে ধরতে জোর চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে হত্যার সঠিক কারণ জানা যাবে।

কিশোরীর সম্ভ্রমের মূল্য ৩ লাখ টাকা : ধর্ষক গ্রেপ্তার!

ইসমাম পারভেজ কনক মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীর সম্ভ্রমের মূল্য ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছেন সমাজপতিরা। সংবাদকর্মীদের কাছে এ খবর পেয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ধর্ষক মুফতি আমির হামজাকে গভীর রাতে গ্রেপ্তার করেছে জাজিরা থানা পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার সকালে ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী এবং তার বাবাকে থানায় ডেকে নেয় পুলিশ। নির্যাতিত শিশুটির জবানবন্দির ভিত্তিতে জাজিরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯/১/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতার পিতা। ধর্ষণের শিকার মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। . শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের মাঝিরঘাট সংলগ্ন পাইনপাড়ার চরে অবস্থিত বায়তুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসায় ৯ বছর বয়সের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে। মুফতি হামজা স্থানীয় আজিজ শেখের ছেলে। মুফতি হামজা বিবাহিত এবং তার ১১ মাস বয়সের এক কন্যা সন্তান আছে। . বিশ্বস্ত সূত্রের ভিত্তিতে ঘটনার তিন দিন পর শরীয়তপুরের কয়েকজন সংবাদকর্মী শুক্রবার সরেজমিনে জানতে পারেন...

বন্ধ হচ্ছে বহু জিমেইল অ্যাকাউন্ট!

ইসমাম পারভেজ কনক প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল-এর মেইলিং সার্ভিস জিমেইল তাদের সেবা ব্যবহারকারীদের বহু অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির নতুন নিয়মের কারণে আগামী জুন মাস থেকে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী জুন থেকে গুগল ফটোজে বিনামূল্যে ছবি রাখার সুবিধাও তুলে নেয়া হবে। নতুন নীতি অনুযায়ী ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে যে সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলো ইনঅ্যাকটিভ রয়েছে, সেগুলো পুরোপুরি ডিলিট করে দেওয়া হবে। তবে এ নিয়ম কার্যকরের আগেই প্রত্যেক অ্যাকাউন্টধারীকে ই-মেইল মারফত সতর্কবার্তা পাঠানো হবে গুগলের পক্ষ থেকে। গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যবহারকারীরা আর বিনামূল্যে গুগল ফটোজ ব্যবহার করতে পারবেন না। এছাড়া যে সমস্ত অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা জিমেইল, গুগল ড্রাইভ, ডকুমেন্টস, শিটস, স্লাইডস, ড্রইংস, ফর্মস এবং জ্যামবোর্ড ফাইলস ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহার করেননি, তাদের সেই সমস্ত অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেওয়া হবে। অবশ্য, ইনঅ্যাক্টিভ অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের বিশ্বাসযোগ্য কন্টাক্টসদের কাছে তাদের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার...

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোর!

ইসমাম পারভেজ কনক   সংক্ষিপ্ত স্কোর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস:  ৪০৯ বাংলাদেশ ১ম ইনিংস:  ২৯৬ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস:  (আগের দিন ৪১/৩) ৫২.৫ ওভারে ১১৭ (বনার ৩৮, ওয়ারিক্যান ২, মেয়ার্স ৬, ব্ল্যাকউড ৯, জশুয়া ২০, জোসেফ ৯, কর্নওয়াল ১, গ্যাব্রিয়েল ১*; তাইজুল ২১-৪-৩৬-৪, নাঈম ১৫.৫-৫-৩৪-৩, মিরাজ ৬-১-১৫-১, আবু জায়েদ ১০-৪-৩২-২)। বাংলাদেশ ২য় ইনিংস :  (লক্ষ্য ২৩১) ৬১.৩ ওভারে ২১৩ (তামিম ৫০, সৌম্য ১৩, শান্ত ১১, মুমিনুল ২৬, মুশফিক ১৪, মিঠুন ১০, লিটন ২২, মিরাজ ৩১, তাইজুল ৮, নাঈম ১৪, আবু জায়েদ ০*; কর্নওয়াল ৩০-৫-১০৫-৪, জোসেফ ২-০-১৬-০, গ্যাব্রিয়েল ২-০-৮-০, ওয়ারিক্যান ১৬.৩-৪-৪৭-৩, ব্র্যাথওয়েট ১১-১-২৫-৩)। ফল:  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৭ রানে জয়ী। সিরিজ:  ২ ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২-০ ব্যবধানে জয়ী। ম্যান অব দা ম্যাচ:  রাকিম কর্নওয়াল। ম্যান অব দা সিরিজ:  এনক্রমা বনার।

অনলাইনে ৩টি সাইটে কাজ করে প্রতিমাসে ১০০০ ডলার ইনকামের উপায়।

ইসমাম পারভেজ কনক ০১★ পিটিসি সাইট বা স্টার ক্লিকসে প্রতিমাসে ২৫০ ডলার ইনকাম করতে যোগ দিন।লেখার উপর ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন। পিটিসি সাইট এখানে প্রতিদিন ১০ টি বা তার বেশী ADD লেখা কিছু সাইট থাকবে।সেখানে শুধু ক্লিক করতে হবে।একটা করে ক্লিক করতে হবে আর ব্যাকে আসতে হবে।প্রতি ক্লিকে একাউন্টে ডলার যোগ হবে।আর রেফারেল করতে পারলে ইনকাম আরও বৃদ্ধি পাবে। সব থেকে সহজ কাজ এইটা।প্রতিদিন মাত্র ১০ থেকে ২০ সেকেন্ড সময় লাগবে। রেজিষ্ট্রেশনের নিয়ম দেখুন। সাইন আপ বা রেজিষ্ট্রেশন করতে লেখার উপর ক্লিক করুন। অবশ্যয় ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড মনেে রাখতে হবে। রেজিষ্ট্রেশনের জন্য লেখার উপর ক্লিক করুন। ০২★★ জিপিটি সাইট বা সার্ভেতে প্রতিমাসে ৫০০ ডলার ইনকামের জন্য যোগ দিন ও রেজিষ্ট্রেশন করতে লেখার উপর ক্লিক করুন। জিপিটি সাইটে এড ক্লিক,সার্ভে এবং রেফারেল থেকে ইনকাম।সারাদিন যত গুলো ইচ্ছা সার্ভে করা যাবে।সার্ভে মানে আপনার নিজের সম্পর্কে ১০ টি করে প্রশ্ন করবে।প্রত্যেক প্রশ্নের অপশন দেয়া থাকবে।আপনাকে সিলেক্ট করে উত্তর দিতে হবে।প্রতি ১০ টি প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনাকে পেমেন্ট দেয়া হবে। রেজিষ্ট্রেশনের নিয়ম দেখুনঃ রেজিষ্ট্রেশন ...

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক ইমামের ইন্তেকাল!

ইসমাম পারভেজ কনক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমাম ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১ টা ১৫মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া রাত ১টা ২০ মিনিটে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত বেদনার সাথে জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব এইচ টি ইমাম রাত ১.১৫ টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। জানাজা এবং দাফনের বিষয়টি পরে অবহিত করা হবে।’