সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কিশোরী গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার!

ইসমাম পারভেজ কনক

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুর কামারপাড়ার গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে পারভেজের স্ত্রী মরিয়ম (১৬) আজ ভোরে নিজ ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে।মরিয়মের বাবা চরমহেন্দ্রপুর গ্রামের রুহুল আমিন জানান আমর মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। রুহুল আমিন এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায় ৩/৪ আগে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় মরিয়ম এবং পারভেজের বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায়-ই মরিয়ম তার বাবার বাড়ি অথবা মির্জাপুর খালার বাড়িতে চলে যেতেন আবার অভিভাবক ফোরামে আলোচনা করে বাড়ি নিয়ে আসতেন। গত ৪দিন আগে মরিয়ম স্বামীর বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর স্বামী পারভেজ মরিয়মের বাবার বাড়িতে খোঁজ করতে গিয়ে শ্বশুরকে জিজ্ঞাসা করে আপনার মেয়ে এসেছে কিনা তখন রুহুল আমিন বলেন না মেয়ে তো আসেনি তখন তার ধারণা তার মেয়ের কোন সমস্যা হয়েছে এই সন্দেহে জামাই পারভেজ কে ঘরের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখে হটাৎ ১০/১৫ মিনিট পর মেয়েটি বাড়ি পৌঁছানোর পর জামাইকে ছেড়ে দেয় এবং ছেলে পক্ষের মাতব্বরদের মধ্যস্থতায় মেয়েকে পারভেজের হাতে তুলে দেন।
মরিয়ম স্বামীর বাড়ি ফিরে আসার তিন দিন পর স্বামী ভোররাতে ইটভাটায় কাজে বেড়িয়ে যাওয়ার পর সকালে শোয়ার ঘরে আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বাড়ির লোকজন ওড়না কেটে লাশ নামায়।
পরে পুলিশ এসে লাশ মর্গে পাঠিয়েছে, এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান বলেন লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য 
মর্গে পাঠানো হয়েছে রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...