সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আবারও কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু!

ইসমাম পারভেজ কনক
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যু!

চিকিৎসককে ডেকেও পাননি স্বজনরা।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রোগীর এক স্বজন।অভিযোগ পত্র থেকে জানা গেছে,কুষ্টিয়া শহরের টালিপাড়ার মৃত আাজিজুল হকের স্ত্রী শামসুন্নাহার গত ৭ ফেব্রুয়ারী রাতে নিজ বাড়ীতে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। পরের দিন ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ৩ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।সেখানে ভর্তির পর হাসপাতালের এমবিবিএস কোন চিকিৎসককে ওয়ার্ডে পাননি বলে রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করেন। তবে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রশিক্ষনরত ছাত্র-ছাত্রীরা সেখানে ছিলেন বলে রোগীর স্বজনদের নিকট থেকে জানাগেছে সু-চিকিৎসা না পাওয়ায় ওই রোগীর অবস্থা ক্রমেই অবনতি হতে থাকে। রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের কোন চিকিৎসককে ডেকেও পাননি। পরেরদিন ৯ ফেব্রুয়ারী সকালে ওই ওয়ার্ডে ডাঃ এসএম খসরুজ্জামান মুকুল নামের এক চিকিৎসক রাউন্ডে এসে রোগীকে দুর থেকে দেখে চিকিৎসা দেন। এর কিছুক্ষন পর হঠাৎ রোগী আরও অসুস্থ্য হয়ে পড়লে রোগীর স্বজনরা ডাঃ এসএম খসরুজ্জামান মুকুলকে ডাকতে গেলে তিনি বলেন একই রোগী কতবার দেখবো।আমি যেতে পারবো না। এ কথা বলে তিনি আর রোগীর নিকট যাননি। এরই এক পযার্য়ে রোগী মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করতে করতে মারা গেলে রোগীর স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে ডাঃ এসএম খসরুজ্জামান মুকুল কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মৃত শামসুন্নাহারের বড় ছেলে শেখ শাকিল আহাম্মেদ ওই চিকিৎসকের দায়িত্ব ও চিকিৎসা অবহেলায় তার মায়ের মৃত্যুর সুষ্ঠ বিচার দাবী করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।এয়াড়াও তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা সংক্রান্ত এবং তাদের বাড়ীর জমিজমা নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ করেছেন। তারা জানায়, ১৯৮৫ সালে মরহুম আজিজুল হক টালিপাড়ায় জমি ক্রয় করে কুষ্টিয়া পৌরসভার অনুমোদন নিয়ে ৩তলা বাড়ী নির্মাণ করেন। এরপর থেকেই তারা ওই বাড়ীতে বসবাস করে আসছিলেন। গত ২০০৬ সালে ওই জমি বিক্রেতাদের এক শরিক এ্যাডভোকেট মোকারম হোসেন লাল কুষ্টিয়া সদর ভূমি অফিসের যোগসাজসে ওই জমির নাম খারিজ ভাগবন্টন করার আবেদন করে বাতিল করে দেন। এ ঘটনাটি নিয়ে মরহুম আজিজুল হক আদালতে মামলা করেন। এই জমিজমা সংক্রান্ত নানা টেনশনে তিনি গত ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারী ইন্তেকাল করেন। এরপর ওই জমির মামলার পিছনে আজিজুল হকের স্ত্রী শামসুন্নার ছোটাছুটি শুরু করেন। এরই এক পর্যায়ে তিনি গত ৭ ফেব্রুয়ারী রাতে নিজ বাড়ীতে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...