সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়ায় হাইওয়ে পুলিশের প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি!

ইসমাম পারভেজ কনক


মহাসড়কে যান চালাতে হলেই চাঁদা দিতে হবে। এমন রীতিই চালু করেছেন কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশ। মেনেও নিয়েছে যান চালকেরা। প্রতিনিয়তই দিচ্ছেন চাঁদা। কুষ্টিয়ার মহাসড়কে অবৈধ যানগুলোও টাকার বিনিময়ে পাচ্ছে বৈধতা। 

অনুসন্ধানে দেখা যায়, কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জুলহাসের নেতৃত্বে টিম গঠনের মাধ্যমে প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের যান থেকে তোলা হচ্ছে প্রকাশ্যে চাঁদা। 
মহাসড়কে চলাচলরত মালামাল বহনকারী প্রতিটি ট্রাক থেকে তোলা হচ্ছে ২০০ থেকে ২০০০ টাকা। যার সত্যতা মিলেছে অনুসন্ধানী টিমের ভিডিও ফুটেজে। যেখানে দেখা যাচ্ছে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা মহাসড়কে চলাচলরত প্রতিটি যান থেকে তুলছেন টাকা। 

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে কুষ্টিয়া মহাসড়কে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটো, নসিমন, করিমনসহ তিন চাকার স্টারিংযুক্ত যানগুলো নির্বিঘ্নে চালাতে হাইওয়ে পুলিশকে দিতে হয় নিয়মিত মাসোহারা।  যদিও সরকার মহাসড়কে অবৈধ যানচলাচল বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন তবুও কুষ্টিয়ায় মহাসড়কে অবৈধ যানগুলো চলছে হরহামেসাই।  

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী একাধিক ট্রাক ড্রাইভার অভিযোগ করে বলেন, মহাসড়কে গাড়ী চালাতে হলে প্রতিনিয়তই হাইওয়ে পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। কোনো যানে ১০০ কোনো যানে ২০০ বা তারও বেশী দিতে হয়। 

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী এক বৃদ্ধ জানায়, কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা প্রতিনিয়তই চলাচলরত যান থেকে টাকা তুলে। যা আজ নয়, প্রতিদিনেরই বিষয়। 

অন্যদিকে কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ মূল হাইওয়েতে যেসকল সিএনজি চলছে তারা অফিসার ইনচার্জ জুলহাসের সাথে প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা করে কন্টাক করে চালিয়ে যাচ্ছে। 
অপরদিকে কুষ্টিয়া কুমারখালী খোকসা পর্যন্ত যে সমস্ত সিএনজি চলছে সেগুলোও ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা কন্টাকের মাধ্যমে চলছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি ড্রাইভার জানিয়েছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জুলহাস বলেন, এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়। 
হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে কোন ধরনের টাকা উত্তোলন করে না। 
এ বিষয়ে মাদারীপুর রিজিওনাল অফিসের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার বলেন, আমি বিষয়টি দেখছি, যদি সত্য হয় জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে প্রতিটা ট্রাক মালিক ড্রাইভার হেলপার অটো, নসিমন করিমন আলমসাধুর চালকসহ এলাকাবাসী সবাই অফিসার ইনচার্জ জুলহাসের উপর ক্ষুব্ধ। তারা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, এই অফিসার ইনচার্জ জুলহাসের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানান।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...