সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বলিউড-হলিউড সিনেমাকেও হার মানালো নাসির-তামিমা!

ইসমাম পারভেজ কনক

বলিউড-হলিউড সিনেমাকেও হার মানালো বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির আর তার স্ত্রী তামিমা তাম্মীর প্রেম আর বিয়ের ঘটনা। ১৯৯৬ সালের বলিউড সিনেমা অগ্নিসাক্ষীতেও ঘটে এমনই এক গল্প। পর্দায় জ্যাকিশ্রফ-মনীষা-নানা পাটেকরের ত্রিভূজ প্রেমের সেই উপস্থাপন যেন ফিরে আসলো ২৪ বছর পর বাংলাদেশে। এক্ষেত্রে বাস্তবের চরিত্র নাসির-তাম্মী-রাকিব।

সাধারণ পরিবারের মেয়ে মনীষাকে বিয়ে করেন নানাপাটেকর। ভালোবাসেন পাগলের মতো। তবে সেই ভালোবাসার পুরোটাই ছিল কর্তৃত্ব, দখলদারিত্ব। একসময় দমবন্ধ এই পরিবেশ থেকে বের হতে চান মনীষা। সেসময় পরিচয় হয় বড় ব্যবসায়ী জ্যাকি শ্রফের সঙ্গে। গাঁটছড়াও বাঁধেন দুজনে।
নাসির যেমন শত সমালোচনার পরও তাম্মিকেই আগলে রাখছেন, জ্যাকি শ্রফও করেছেন তাই। বার বার ভেঙে পড়া মনীষাকে ফিরিয়ে এনেছেন ভালোবেসে।

নব্বই দশকের ত্রিভূজ প্রেমের জনপ্রিয় হিন্দি সিনেমা অগ্নিসাক্ষীর কিছুটা বাস্তব চিত্রায়ন কি দেখলেন বাংলাদেশের মানুষ নাসির-তাম্মী-রাকিবের বিয়ে নিয়ে নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে।
চলচ্চিত্রে মনিষা কৈরালার শেষ পরিণতি হয় ভয়াবহ। তবে সিনেমা তো সিনেমাই। দেশে এই মুহূর্তের টক অব দ্য টাউন নাসির-তাম্মী-রাকিবের পরিণতি কি হবে সেটা জানতে অপেক্ষা তো করতেই হবে।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...