সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পিটিসি ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন ?

ইসমাম পারভেজ কনক

পিটিসি ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন ?



শুধু বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা নয় এছাড়াও পিটিসি সাইট থেকে আয় করার অনেকগুলো উপায় আছে। উপায় গুলো নিচে বিস্তারিত বর্ণনা করা হলোঃ

  1. অনলাইন সার্ভে করেঃ পিটিসি সাইট গুলো আপনাকে বিভিন্ন সার্ভে করার কাজ দেবে। সার্ভে গুলো এমন হবে যে আপনাকে সেখানে কিছু প্রশ্ন করা হবে এবং আপনার সেগুলোর উত্তর দিতে হবে। সার্ভে পুরোপুরিভাবে কমপ্লিট করলে প্রত্যেক 5 থেকে 10 মিনিটের সার্ভের জন্য তারা সবোর্চ্চ ২ থেকে ৫ ডলার দিয়ে থাকে।আর আপনি সাইন আপ করার পরই সার্ভেতে জয়েন করতে পারবেন এবং আপনার নিজের সম্পর্কেয় সাধারণ প্রশ্ন করা হবে।তার সব গুলো সঠিক উত্তর আপনাকে দিতে হবে।তারপর পরবর্তীতে আবার সার্ভে দিবে।
  2. বন্ধুদের রেফার করার মাধ্যমেঃ এসব ওয়েবসাইটে সাধারণত রেফারিং সিস্টেম থাকে। অর্থাৎ আপনি চাইলে কাউকে ওয়েবসাইটে ঢোকার জন্য রেফার করতে পারেন। যদি কেউ আপনার রেফারেল থেকে ওয়েবসাইটে ঢুকে এবং একাউন্ট খুলে সে ক্ষেত্রে আপনি রেফারেল বোনাস পাবেন।
  3. বিভিন্ন টাস্ক কমপ্লিট করেঃ এসব পিটিসি সাইটে বিভিন্ন ধরনের অফার থাকে সেসব অফার থেকে আপনি গেম খেলে বিভিন্ন অ্যাপ ডাউনলোড করে এবং দৈনন্দিন কিছু টাস্ক কমপ্লিট করে আপনি আয় করতে পারবেন
  4. বিজ্ঞাপন দেখেঃ পিটিসি সাইট থেকে টাকা আয় করার আরেকটি সহজ মাধ্যম হলো বিজ্ঞাপন দেখা। শুধু বিজ্ঞাপন দেখেই আপনি টাকা আয় করা শুরু করতে পারবেন। তবে বিজ্ঞাপন দেখে আয় করা টাকার পরিমাণ অনেক কম হয়ে থাকে তাই যত বেশি বিজ্ঞাপন দেখবেন তত বেশি আপনার আয় হবে।

পিটিসি সাইট থেকে আয় করার ক্ষেত্রে আপনি উপরোক্ত কাজগুলো করতে পারেন। আপনার আয় করা টাকা তোলার জন্য পেপাল (PayPal), পেওনিয়ার, স্ক্রিল ইত্যাদি মাধ্যম রয়েছে। এগুলোতে ব্যবহার করে আপনি সহজেই আপনার আয় করা টাকা তুলতে পারবেন।

পিটিসি থেকে কীভাবে আয় করবেন?

বিশ্বের সব থেকে ভাল পিটিসি সাইট কোনটি?

ক্লিকসেন্সে কীভাবে আয় বৃদ্ধি করবেন?

পিটিসিতে কীভাবে রেজিষ্ট্রেশন এবং সাইন ইন করবেন?


পিটিসি সাইটে আয় করতে যে সকল প্রয়োজনীয় বিষয় দরকার।

পিটিসি (paid to click) সাইটগুলোতে ক্লিক করার মাধ্যমেই মূলত আয় করা হয়। পৃথিবীতে প্রায় ১ হাজারেরও বেশি পিটিসি সাইট আছে যার অধিকাংশই ভূয়া এবং নতুন। অনেক সাইটই আছে যারা কিছুদিন রান করার পর উদাও হয়ে যায়। তাই পিটিসি সাইটগুলোতে কাজ আরম্ভ করার পূর্বে অবশ্যই এই সাইটগুলো সম্পর্কে ভালোভাবেই জানতে হবে। কেবলমাত্র ভালো ও লিগেল সাইটগুলোতে কাজ করতে হবে। অন্যথায় পস্তাতে হবে।

পিটিসি সাইটে যারা একেবারেই নতুন এবং আয় করার ফর্মূলা বুঝতে সমস্যা নিচের এই লেখাটি একটু মনোযোগের সাথে পড়বেন।

নতুনদের জন্য পিটিসিতে যা যা করণীয়:

১. একটি কম্পিউটার ও একটি মডেম থাকতে হবে। মডেম না থাকলে মোবাইল দিয়ে ইন্টানেট কানেকশন করা যেতে পারে।আবার আপনার মোবাইল থাকলেও হবে।তবে সব পিটিসি সাইট গুলো মোবাইলে সাপোর্ট করে না।
২. কাজ করার জন্য প্রতিদিন অন্তত ৩০/৪০ মিনিট সময় থাকতে হবে।
৩. যে সাইটগুলোতে কাজ করবেন সেগুলো অবশ্যই লিগেল, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বস্ত হতে হবে। এটি পিটিসি সাইটের অতি মূল্যবান কথা বা পিটিসি সাইটের মূলমন্ত্র।
৪. রাতারাতি বড়লোক হবার স্বপ্ন দেখা চলবে না। আস্তে আস্তে আয়ের গতি বাড়বেই। এতে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
৫. যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পিটিসির কাজ শিখতে হবে এবং পিটিসির নিয়ম-কানুন জানতে হবে।

৬. কাজ পুরাপুরি শিখে গেলে আয়ের গতি কিছুটা বাড়ানোর স্বার্থে ছোট/মাঝারি ধরণের একটি ইনভেস্ট করতে পারেন। এতে আপনার মঙ্গলই হবে।

৭.  ধৈর্য্যশীল ও আত্ববিশ্বাসী হওয়া চাই, নইলে হতাশ হয়ে পড়তে পারেন পিটিসির এই বিশাল আয়ের জগতে।

নতুন-পুরাতনদের জন্য আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

১. যারা অনেক দিন ধরে কাজ করছেন অথচ আয় বাড়াতে পারছেন না, তাহলে ছোট/মাঝারি একটি ইনভেস্ট করুণ। এবং আপনার একাউন্ট আপগ্রেড কনুণ। একাউন্ট আপগ্রেড না করা পর্যন্ত আয় বাড়ানো আসলেই কঠিন।

২. পিটিসি সাইটের Terms of services ভালোভাবে জানুন ও শিখুন।
৩. আপনি যে সাইটে কাজ করবেন সে সাইটের Terms of services ভালোভাবে জানুন। এবং মেনে চলুন।
৪. কাজ না শেখা পর্যন্ত কোনো ইনভেস্ট করবেন না। এবং কাজ না শেখা পর্যন্ত হাল ছাড়বেন না। মানে কাজ ছেড়ে দিবেন না।
৫. অন্তত ৬ মাস কাজ চালিয়ে যান। তারপর ভাল লাগলে করবেন নয়তো ছেড়ে দিবেন।
৬. একজন ভালো রেফারেল এর মাধ্যমে পিটিসিতে কাজ করবেন যাতে আপনি সব রকমের সহযোগীতা পান। গুগল সার্স করে আমি কিছু ইউটিউব এর টিউটোরিয়াল দেখলাম যেগুলোর রেফারেল তিনি নিজেও নতুন এবং আয়ের পরিমাণও সামান্য। এত সামান্য আয় করে তিনি রেফারেল পাবার আশায় টিউটোরিয়াল করতে শুরু করে দিয়েছেন যা আমাকে একেবারেই অবাক করেছে। আপনিও এই টিউটোরিয়ালগুলো দেখলে আমার কথার সত্যতা যাচাই করতে পারবেন। আপনি এ রকম রেফারেল থেকে অবশ্যই দূরে থাকবেন। ভালো রেফারেল আপনার কাজের গতিকে মনিটরিং করবেন যাতে আপনার শ্রম ও কষ্ট বিফলে না যায়।
৭. আপনার কম্পিউটার ও মডেম অন্যকে ব্যবহার করতে দিবেন না এবং একই পিসি  বা মোবাইল থেকে একাধিক একাউন্ট খুলবেন না। এ রকম করলে আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যাবে।

৮।আর আপনি অবশ্যয় কোন রেফারেল লিংকের মাধ্যমে একাউন্ট সাইন আপ করবেন।তা না হলে আপনার পরিশ্রম বৃথা যাবে।আপনি কাজ করতে পারবেন ঠিকই।কিন্তু টাকা উঠাতে পারবেন না।

এখন থেকে মনোযোগ সহকারে কাজ করা শুরু করুন।
নীচে পিটিসি সাইটের লিংক দেয়া হল।এই লিংকে ক্লিক করে যারা এখনও সাইন আপ করেন নাই।তারা সাইন আপ করে নিন।তবে অবশ্যয় ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখবেন।এইটা খুব প্রয়োজন পরবে।
এই লিংক দিয়ে মোবাইলে এবং পিসি দুইটা দিয়েয় কাজ করতে পারবেন।
যে লিংকটি দিচ্ছি এইটা পৃথিবীর একনাম্বার পিটিসি সাইট।যার আগের নাম ছিল ক্লিকসেন্স।বর্তমানে নাম দেয়া হয়েছে ওয়াইসেন্স।এখানে আপনি কাজ করলে অনেক ভাল অর্থ ইনকাম করতে পারবেন এবং কাজ ভালভাবে বুঝতে পারলে আপনার ইনকাম অনেক বৃদ্ধি পাবে।

লিংকঃ


আর আপনি যদি একেবারেয় নতুন হয়ে থাকেন।তাহলে নীচের লিংকে ক্লিক করে সাইন আপ করুন।এই খানে আপনি খুব সহজে কাজ বুঝতে পারবেন।তারপর পরবর্তীতে আপনি উপরের লিংকে ঢুকে সাইন আপ করবেন।

https://www.star-clicks.com/?ref=51220521

পোস্টটিতে লাইক,কমেন্ট এবং শেয়ার করুন।সবাইকে পোস্টটি পড়ার সুযোগ করেদিন এবং অনলাইনে সঠিক উপায়ে কাজের জন্য আগ্রহ তৈরী করুন।সবার বেকারত্ব দূর করতে সহযোগিতা করুন।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

কুষ্টিয়াতে আজ নতুন সনাক্ত ১১ জন ও ১ জনের মৃত্যু

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়ার মেডিকেল কলেজের প্রদত্ত তথ্য মতে পিসিআর ল্যাবে আজ ২৫ নভেম্বর ২০২০ মোট ১৯০টি স্যাম্পলের (কুষ্টিয়া ১১৮, চুয়াডাঙ্গা ৩১, ঝিনাইদহ ১৫ ও মেহেরপুর ২৬) মধ্যে কুষ্টিয়া জেলার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার  ১০ জন ও ভেড়ামারা উপজেলার ১ জনসহ কুষ্টিয়ায় মোট ১১ জন  নতুন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার ৬ জন ও মেহেরপুর জেলার ১ জন নতুন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। বাকিগুলোর ফলাফল নেগেটিভ৷    কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আক্রান্ত ১০ জনের ঠিকানাঃ হাউজিং ডি ১ জন, চৌড়হাস ১ জন, কেজিএইচ ৩ জন, থানা পাড়া ২ জন, উপজেলা মোড় ১ জন, লাহিনী পাড়া ১ জন ও দহকোলা ১ জন। ভেড়ামারা উপজেলায় আক্রান্ত ১ জনের ঠিকানাঃ সাতবাড়িয়া ১ জন। এখন পর্যন্ত কুষ্টিয়ায় করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা মোট ৩৫৬৩ জন, এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন মোট ৩৩৯৪ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৮১ জন(আজকে কুমারখালী উপজেলার ১ জনের মৃত্যুসহ)। ঘরের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। অতি-প্রয়োজনীয় না হলে বাহিরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। সামাজিক দুরত্ব মেনে চলুন। অনুগ্রহ করে সতর্ক থাকুন, সাবধানে থাকুন, ভাল থাকুন।

মাদক মামলায় আসামীর যাবজ্জীবন সাজা।

ইসমাম পারভেজ কনক গত ২৩/০৮/২০১১ তারিখ  শৈলকুপা থানার একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে ফেন্সিডিল সহ (মাদকদ্রব্য) আসামি মোঃ সিদ্দিক মৃধা ,পিতা-মৃত শামসুদ্দিন দোকানদার ,সাং- যুগীপাড়া,থানা-শৈলকুপা,জেলা- ঝিনাইদহ কে গ্রেপ্তার করেন। তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার শেষে বিজ্ঞ আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০০০ (পাঁচ হাজার) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ০৫ (পাঁচ) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।

কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে,র‌্যাবের অভিযানে ২২ লাখ টাকা জরিমানা!

ইসমাম পারভেজ কনক  র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত ২১ নভেম্বর কুষ্টিয়া শহরের কলেজ মোড়ে বৈশাখী ক্লিনিকের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। গাড়ি থেকে র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী হাকিম ও আইন কর্মকর্তা গাউছুল আজম উঠে গেলেন ক্লিনিকের দোতলায়। সেখানে কয়েকটি কক্ষ ঘুরে দেখে ক্লিনিকের মালিকের সঙ্গে কথা বললেন। কত বেডের অনুমোদন নেওয়া তা জানতে চাইলেন আদালত। জবাবে মালিক জানালেন ২০ বেড। আর র‌্যাবের সদস্যরা পুরো ভবনের কক্ষগুলো ঘুরে পেলেন ৫০ বেড। এসব বেডের অধিকাংশতেই রোগী রয়েছে। বেশির ভাগই অস্ত্রোপচারের রোগী।  ২০ বেডের এই ক্লিনিকে নিয়ম অনুযায়ী সার্বক্ষণিক ছয়জন এমবিবিএস চিকিৎসক থাকার কথা। সেখানে একজনকেও পেলেন না নির্বাহী হাকিম। অথচ এই ক্লিনিকে রয়েছে তিনটি অস্ত্রোপচার কক্ষ। সেখানে দায়িত্বে আছেন একজন এসএসসি পাশ তরুণ। তার কোনো ডিপ্লোমা কোর্সও করা নেই। ক্লিনিকের এমন চিত্র দেখে হতবাক হলেন নির্বাহী হাকিম গাউছুল আজম। তিনি ঢাকা র‌্যাবের সদর দপ্তর থেকে কুষ্টিয়ায় এসেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে ক্লিনিকের মালিককে দুই লাখ ও ওটি ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা তরুণকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন তিনি। র‌্যাব-১২ কুষ্টিয়...

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...