সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়ার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা ও মেয়েকে নির্যাতন ১

ইসমাম পারভেজ কনক


 কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা ও মেয়েকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের শিকার হয়েছেন নন্দলালপুর ইউনিয়নের মজিবর জোয়ার্দারের স্ত্রী শিল্পী খাতুন(৪০) ও তার মেয়ে সুমী খাতুন(২৫)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নন্দলালপুর গ্রামে মজিবরের বাড়িতে  প্রতিপক্ষ হামলা চালিয়ে  তার স্ত্রী ও মেয়েকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে বলে জানা যায়। 

ভুক্তভোগী মজিবর জোয়ার্দার জানান, তার ছেলে সিহাব জোয়ার্দারের(১৬) সাথে একই এলাকার জনাব মালিথার ছেলে ফিরোজের গত মঙ্গলবার বাইসাইকেল সাইড দেয়া নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। পরেরদিন তাদের প্রতিবেশী আশিক শিহাবের বাইসাইকেল নিয়ে নদীতে গোসল করতে গেলে ফিরোজ বাইসাইকেলটি ভাংচুর করে। এই বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে সিহাব ও ফিরোজের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে সন্ধ্যার দিকে ফিরোজের পরিবারের লোকজন বানাত মালিথা,অনাথ মালিথা, সুরুজ মালিথা, মুজাম মালিথা জনাব মালিথা, আজিজুল মালিথা ও কুটি মালিথা সহ ১৫/২০ জন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা করে তার ছেলেকে মারধর শুরু করলে সে দৌড়ে গিয়ে ঘরে দরজা লাগিয়ে দেয়। এবং এসময় তার স্ত্রী ও মেয়ে ঠেকাতে গেলে হামলাকারীরা তাদের উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারপিট করে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। বর্তমানে তার স্ত্রী ও মেয়ে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি আরো বলেন তার মেয়ের পেটের উপর পা দিয়ে পারানোর কারনে তার অবস্থা আশংকাজনক। 

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান জানান, এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...