সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিকাশ নিয়ে সতর্কবার্তা,আপনাদের কাছের মানুষই বিকাশ প্রতারক

ইসমাম পারভেজ কনক

বিকাশ অনেক সতর্কতা অবলম্বন করতে পারলেও নাম্বার আর ওটিপি দিয়ে টাকা হাতানো প্রতারকদের থেকে বিকাশকে এখনও রক্ষা করতে পারে নাই।এন্ড্রয়েড ফোন দিয়ে নাম্বার আর ওটিপি দিয়ে সম্পূর্ণ সিকিউরিটি দিলেও আইফোনের সেটিংস থেকে সমস্যাটি বন্ধ করতে পারে নাই।আর বর্তমানে বিকাশের নাম্বার দিয়ে কল করে ওটিপি নিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কিছু প্রতারক।এইটা একটি সফটওয়্যার দিয়ে করে থাকে তারা।

কিন্তু এখানে প্রশ্ন হচ্ছে?আপনার কোন নাম্বারে বিকাশ খুলা আছে এবং আপনার বিকাশ একাউন্টে কত টাকা আছে?এইসব প্রতারকরা কীভাবে জানে?আর এই সব না জানলে প্রতারণা করে টাকা নেয়া সম্ভবও না।কিন্তু তাদের দ্বারা কীভাবে সম্ভব হয়?
একটি বিষয় মনে রাখা দরকার,আপনি যদি বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হন।তাহলে আপনার কাছের কেউ একামাত্র আপনাকে এই প্রতরণার ফাঁদে ফেলতে পারে।
বর্তমানে কিছু গ্রুপ আছে।যেখানে বিকাশ নাম্বার এবং কিছু তথ্য দিলে প্রতি নাম্বার প্রতি ৫০০ করে টাকা দেয়।যেইটা সবাই অনলাইন কাজ বলে দাবি করে।
আর এখানে যদি আপনি পুরো তথ্য দিতে পারেন যেমন,নাম্বার,নাম্বারে কত টাকা আছে, এইটা সঠিকভাবে বলতে পারলেয় হবে।এই তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রতারক টাকা হাতিয়ে নিবে এবং আপনাকে তার ৫০% দিবে।আর এদের গ্রুপ গুলো এমনভাবে তৈরী করা।যেইটার লোকেশন ভিন্ন ভিন্ন ভাবে তৈরী করা।যার জন্য পুলিশ প্রশাসন ধরতে পারে না।আপনারা যদি কেউ প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন,তাহলে বুঝবেন আপনার কাছের কেউ,যে প্রতারকদের কাছে আপনার তথ্য দিয়েছে।আর আপনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।আর বিকাশ এজেন্টদের থেকেও সাবধান থাকবেন।বিকাশের ঘর থেকেয় কিছু প্রতারক তথ্য চুরি করে,অইসব প্রতারকদের দিয়ে থাকে।এমনকি কোন বিকাশ এজেন্টও নাম্বার আর তথ্য দিয়ে টাকা ইনকাম করে থাকতে পারেন।কাউকে কোনভাবেয় আপনার নাম্বার এবং পিন নাম্বার জানতে দিবেন না।বিকাশ এজেন্টদেরকে পিন নাম্বার বলবেন না।
আর একটি বিষয় মনে রাখবেন,বিকাশ অফিস থেকে কোনভাবেয় আপনাদের কাউকে কখনও ফোন করবে না।আপনার কোন সমস্যা হলে আপনাকেয় ফোন করতে হবে এবং তারা সমাধান করার চেষ্টা করবে।তবে তারা কখনও আপনাদের কাছে ওটিপি বা বিকাশের পিন নাম্বার চাইবে না।আর অবশ্যয় আপনার বিকাশের সকল তথ্য গোপন রাখবেন এবং ভোটার আইডির কোন কপি কাউকে দিবেন না।আপনার ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে আর কিছু তথ্য দিয়ে নতুন পিন নাম্বার করে টাকা হাতিয়ে নিতে পারবে খুব সহজেয়।তাই সাবধান হন।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...