সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শাবান মাসের "ফজিলত" ও "আমল"

ইসমাম পারভেজ কনক

হিজরি চান্দ্রবর্ষের অষ্টম মাস হলো ‘শাবান’ মাস। এ মাস বিশেষ মর্যাদা ও ফজিলতপূর্ণ। হিজরতের দেড় বছর পর পূর্বতন কিবলা ফিলিস্তিনের মসজিদুল আকসা বা ‘বাইতুল মুকাদ্দাস’-এর পরিবর্তে মক্কা শরিফের মসজিদুল হারাম তথা খানায়ে কাবা তথা কাবা শরিফ কিবলা হিসেবে ঘোষিত ও নির্ধারিত হয় এই শাবান মাসেই। তাই শাবান মাস একদিকে যেমন মুসলিম স্বাতন্ত্র্য ও ইসলামি ঐক্যের মাস, অন্যদিকে তেমনি কাবাকেন্দ্রিক মুসলিম জাতীয়তা ও ভ্রাতৃত্ববোধে উজ্জীবিত হওয়ার মাস।

আরবি এ মাসের পূর্ণ নাম হলো ‘আশ শাবানুল মুআজজম’ অর্থ মহান শাবান মাস। রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসে সবচেয়ে বেশি নফল ইবাদত করতেন। ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, রজব আল্লাহ তাআলার মাস, শাবান নবীজি (সা.)-এর মাস, রমজান হলো উম্মতের মাস। রজব মাসে ইবাদতের মাধ্যমে মনের ভূমি কর্ষণ করা, শাবান মাসে আরও বেশি ইবাদতের মাধ্যমে মনের জমিতে বীজ বপন করা, রমজান মাসে সর্বাধিক ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে সফলতার ফসল ঘরে তোলা হয়। রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠের নির্দেশনাসংবলিত অসাধারণ আয়াতটি এ মাসেই অবতীর্ণ হয়। ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা নবীজি (সা.)-এর প্রতি পরিপূর্ণ রহমত বর্ষণ করেন, ফেরেশতাগণ নবীজি (সা.)-এর জন্য রহমত কামনা করেন; হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম পেশ করো।’ (সুরা-৩৩ আহজাব, আয়াত: ৫৬)। তাই শাবান মাস হলো নবীজি (সা.)–এর প্রতি অগাধ ভক্তি, শ্রদ্ধা এবং প্রেম-ভালোবাসা প্রদর্শনের মাস। তা হবে সুন্নাত অনুশীলনের মাধ্যমে। হজরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে বলেছেন, ‘হে বৎস! যদি পারো এভাবে সকাল ও সন্ধ্যা পার করো যেন তোমার অন্তরে কারও প্রতি হিংসা না থাকে; তবে তাই করো।’ অতঃপর বলেন, ‘এটাই আমার সুন্নাত আদর্শ, যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত অনুসরণ করল, সে প্রকৃতপক্ষে আমাকে ভালোবাসল; যে আমাকে ভালোবাসল সে জান্নাতে আমার সঙ্গেই থাকবে।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ, তিরমিজি শরিফ: ৩৬: ১৭৫)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) রজব ও শাবান মাসব্যাপী এ দোয়া বেশি বেশি পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজব ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগ না রমাদান’। অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! রজব মাস ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন; রমজান আমাদের নসিব করুন।’ (মুসনাদে আহমাদ, প্রথম খণ্ড: ২৫৯, শুআবুল ইমান, বায়হাকি,৩: ৩৭৫)।

শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত ১৫ তারিখের রাতকে ‘শবে বরাত’ বলা হয়। শবে বরাত কথাটি ফারসি। শব মানে রাত, বারাআত মানে মুক্তি; শবে বরাত অর্থ মুক্তির রাত। শবে বরাতের আরবি হলো ‘লাইলাতুল বারাআত’ তথা মুক্তির রজনী। হাদিস শরিফে যাকে ‘নিসফ শাবান’ বা শাবান মাসের মধ্য দিবসের রজনী বলা হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশ, পারস্যসহ পৃথিবীর অনেক দেশের ফারসি, উর্দু, বাংলা, হিন্দিসহ নানা ভাষাভাষী মানুষের কাছে এটি শবে বরাত নামেই সমধিক পরিচিত। এ রাতে ইবাদত করা ও দিনে রোজা রাখা সুন্নত।

বছরব্যাপী প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখা সুন্নাত। প্রতি চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে আইয়ামে বিদের নফল রোজাও রয়েছে। মাসের ১, ১০, ২০, ২৯ ও ৩০ তারিখে রয়েছে নফল রোজা। এ ছাড়া কোনো সময় ও দিন-তারিখ নির্ধারণ ছাড়া যত বেশি সম্ভব নফল ইবাদত করা যায়, তা করা উচিত। সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে, যেন কোনো ফরজ ওয়াজিব ছুটে না যায় এবং কোনো হারাম বা নিষিদ্ধ কাজ সংঘটিত না হয়। নফল ইবাদত করা অপেক্ষা নিষেধ থেকে বেঁচে থাকা অধিক গুরুত্ববহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রায় সব রজব মাসে ১০টি নফল রোজা রাখতেন এবং শাবান মাসে ২০টি নফল রোজা রাখতেন। রমজানে পূর্ণ মাস ফরজ রোজা। নবীজি (সা.) রমজান ছাড়া বছরের সবচেয়ে বেশি শাবান মাসেই নফল নামাজ, নফল রোজা ও নফল ইবাদত-বন্দেগি করতেন।

রমজান মাসের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে শাবান মাসের তারিখের হিসাব রাখা বিশেষ জরুরি একটি সুন্নাত আমল। হাদিস শরিফে নবীজি (সা.) বলেন, ‘তোমরা রমজানের জন্য শাবানের চাঁদের হিসাব রাখো।’ (সিলসিলাতুস সহিহাহ, আলবানি, খণ্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১০৩)। সম্ভব হলে নতুন চাঁদ দেখা সুন্নাত, চাঁদ দেখে নতুন চাঁদের দোয়া পড়াও সুন্নাত; চান্দ্র মাসের তারিখের হিসাব রাখা ফরজে কিফায়া। কারণ, ইসলামি বিধিবিধানগুলো চাঁদের তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত। (আল বাদায়েউস সানায়ে)।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

কুষ্টিয়াতে আজ নতুন সনাক্ত ১১ জন ও ১ জনের মৃত্যু

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়ার মেডিকেল কলেজের প্রদত্ত তথ্য মতে পিসিআর ল্যাবে আজ ২৫ নভেম্বর ২০২০ মোট ১৯০টি স্যাম্পলের (কুষ্টিয়া ১১৮, চুয়াডাঙ্গা ৩১, ঝিনাইদহ ১৫ ও মেহেরপুর ২৬) মধ্যে কুষ্টিয়া জেলার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার  ১০ জন ও ভেড়ামারা উপজেলার ১ জনসহ কুষ্টিয়ায় মোট ১১ জন  নতুন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার ৬ জন ও মেহেরপুর জেলার ১ জন নতুন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। বাকিগুলোর ফলাফল নেগেটিভ৷    কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আক্রান্ত ১০ জনের ঠিকানাঃ হাউজিং ডি ১ জন, চৌড়হাস ১ জন, কেজিএইচ ৩ জন, থানা পাড়া ২ জন, উপজেলা মোড় ১ জন, লাহিনী পাড়া ১ জন ও দহকোলা ১ জন। ভেড়ামারা উপজেলায় আক্রান্ত ১ জনের ঠিকানাঃ সাতবাড়িয়া ১ জন। এখন পর্যন্ত কুষ্টিয়ায় করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা মোট ৩৫৬৩ জন, এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন মোট ৩৩৯৪ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ৮১ জন(আজকে কুমারখালী উপজেলার ১ জনের মৃত্যুসহ)। ঘরের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন। অতি-প্রয়োজনীয় না হলে বাহিরে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। সামাজিক দুরত্ব মেনে চলুন। অনুগ্রহ করে সতর্ক থাকুন, সাবধানে থাকুন, ভাল থাকুন।

মাদক মামলায় আসামীর যাবজ্জীবন সাজা।

ইসমাম পারভেজ কনক গত ২৩/০৮/২০১১ তারিখ  শৈলকুপা থানার একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে ফেন্সিডিল সহ (মাদকদ্রব্য) আসামি মোঃ সিদ্দিক মৃধা ,পিতা-মৃত শামসুদ্দিন দোকানদার ,সাং- যুগীপাড়া,থানা-শৈলকুপা,জেলা- ঝিনাইদহ কে গ্রেপ্তার করেন। তদন্ত কার্যক্রম ও বিচার শেষে বিজ্ঞ আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০০০ (পাঁচ হাজার) হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ০৫ (পাঁচ) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।

কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে,র‌্যাবের অভিযানে ২২ লাখ টাকা জরিমানা!

ইসমাম পারভেজ কনক  র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ভ্রাম্যমাণ আদালত ২১ নভেম্বর কুষ্টিয়া শহরের কলেজ মোড়ে বৈশাখী ক্লিনিকের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। গাড়ি থেকে র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী হাকিম ও আইন কর্মকর্তা গাউছুল আজম উঠে গেলেন ক্লিনিকের দোতলায়। সেখানে কয়েকটি কক্ষ ঘুরে দেখে ক্লিনিকের মালিকের সঙ্গে কথা বললেন। কত বেডের অনুমোদন নেওয়া তা জানতে চাইলেন আদালত। জবাবে মালিক জানালেন ২০ বেড। আর র‌্যাবের সদস্যরা পুরো ভবনের কক্ষগুলো ঘুরে পেলেন ৫০ বেড। এসব বেডের অধিকাংশতেই রোগী রয়েছে। বেশির ভাগই অস্ত্রোপচারের রোগী।  ২০ বেডের এই ক্লিনিকে নিয়ম অনুযায়ী সার্বক্ষণিক ছয়জন এমবিবিএস চিকিৎসক থাকার কথা। সেখানে একজনকেও পেলেন না নির্বাহী হাকিম। অথচ এই ক্লিনিকে রয়েছে তিনটি অস্ত্রোপচার কক্ষ। সেখানে দায়িত্বে আছেন একজন এসএসসি পাশ তরুণ। তার কোনো ডিপ্লোমা কোর্সও করা নেই। ক্লিনিকের এমন চিত্র দেখে হতবাক হলেন নির্বাহী হাকিম গাউছুল আজম। তিনি ঢাকা র‌্যাবের সদর দপ্তর থেকে কুষ্টিয়ায় এসেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে ক্লিনিকের মালিককে দুই লাখ ও ওটি ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা তরুণকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন তিনি। র‌্যাব-১২ কুষ্টিয়...

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...