সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে নির্ভেজাল পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে চান

ইসমাম পারভেজ কনক

কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ খাইরুল আলম বলেছেন,ওপেন হাউজ ডে,বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ একটি জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে।কমিউনিটি পুলিশিং,ওপেন হাউজ ডে এবং বিট পুলিশিং এর এর মাধ্যমে আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারন মানুষের দোড়গোড়ায় নির্ভেজাল পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে চাই।

শুক্রবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানায় আয়োজিত ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেছেন, মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার পুলিশ হবে জনতার এ শ্লোগানকে সামনে রেখে আমরা জনতার পুলিশ হতে কাজ করছি।আমরা দুর্নীতি, অপরাধ,মাদক ও পুলিশি হয়রানি মুক্ত একটি সমাজ গড়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার পুলিশ হতে কাজ করছি।এখন থেকে দুর দুরান্ত থেকে আর কাউকে কষ্ট করে থানায় আসতে হবেনা। নিজ নিজ এলাকায় বসে বিট অফিসারের মাধ্যমে নির্ভেজাল পুলিশি সেবা পাবেন।প্রত্যকটা থানা হবে অসহায় মানুষের প্রথম ভরসা স্থল।

কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ খাইরুল আলম বলেন,ওপেন হাউজ ডের মাধ্যমে পুলিশের সাথে জনগনের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে, এলাকার অনেক সমস্যা স্থানীয় ভাবে সমাধান হচ্ছে। বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং ও ওপেন হাউজ ডে এর মাধ্যমে আমরা সমাজ থেকে সকল প্রকার অপরাধ দুর করতে চাই। এ জন্য জনসাধারনকে পুলিশের কাছে এলাকার চলমান ঘটনা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে আরো সোচ্চার হতে হবে। দেশকে দারিদ্র, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত করতে সমাজের সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে নৈতিকতাবোধ থেকে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। এছাড়া এলাকার উঠতি বয়সী ‍যুবকরা স্কুল,কলেজগামী শিক্ষার্থীদের যাতে উত্ত্যক্ত করতে না পারে এবং বাল্য বিবাহরোধে সমাজের সকলের দায়িত্ববোধ থেকে সচেতন হতে হবে।

 এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল,কুষ্টিয়া মোঃ আতিকুল ইসলাম, কুমারখালী পৌরসভার মেয়র এবং কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রিন্ট,ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ প্রমুখ।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...