সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মার্চে কালবৈশাখী,শিলাবৃষ্টির পর প্রচন্ড গরমের আভাস!

ইসমাম পারভেজ কনক

বসন্তের পাতাঝরার মৌসুম চলছে। ফাগুনের আমেজ কাটিয়ে চলতি মার্চের মাঝামাঝিতে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস রয়েছে।

সেই সঙ্গে গরমও দাপট দেখাবে চৈত্রে। এ সময় তাপদাহ বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এখন দিনের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


মার্চ মাসের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, এ মাসের দেশের উত্তর, উত্তর পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে ১-২ দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে।

এসময় দেশের অন্য স্থানে ২-৩ দিন শিলা বৃষ্টি ও বজ্রসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে।

এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে (৩৪-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) সামান্য বেশি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানান এ আবহাওয়াবিদ।

তিনি বলেন, “মাসের শেষ দিকে দেশের পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের উপর দিয়ে ১-২ টি মৃদু (সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ (৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যেতে পারে।”

ভিডিও







মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...