সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়া জেলার শ্রেষ্ট এফপিআই(FPI) রুহুল আমিন।

ইসমাম পারভেজ কনক
রুহুল আমিন।

জেলা পর্যায়ের পুরষ্কার।


কুষ্টিয়ার শ্রেষ্ট এফপিআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন,কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের মোঃরুহুল আমিন।

আজ ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ খ্রিঃ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, কুষ্টিয়া আয়োজিত 
০৬-০৮ ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিঃ পর্যন্ত
পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহে পরিবার পরিকল্পনা মা ও শিশু
স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে সর্বোচ্চ অগ্রগতি অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি
জেলা পর্যায়ে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়।এই 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মােঃ হাবিবুল হক খান (যুগ্ম সচিব) পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা, খুলনা বিভাগ, খুলনা।

অদ্য
০৬-০৮ ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিঃ পর্যন্ত
পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহে পরিবার
পরিকল্পনা মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে 
সর্বোচ্চ অগ্রগতি অর্জনকারীর
সম্মাননা স্মারক
জেলার শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে শ্রেষ্টত্ব অর্জন করেন।
মােঃ রুহুল আমিন
ইউনিয়ন: জিয়ারখী
গ্রামঃলক্ষীপুর
উপজেলা : সদর, জেলা: কুষ্টিয়া।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ঢাকা।
জেলা পর্যায়ের পুরষ্কার নেয়ার সময়।



কুষ্টিয়া জেলার এফপিআই হিসেবে শ্রেষ্ট হওয়ায় প্রধান অতিথি জনাব মোঃহাবিবুল হক খান,মোঃরুহুল আমিনকে শ্রেষ্টত্বের পুরষ্কার তুলে দেন।

পুরষ্কার প্রদানের পর প্রধান অতিথি সবার উদ্দেশ্যে বলেন,পরিবার পরিকল্পনার কাজ মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহন,নরমাল ডেলিভারী এবং দুটি সন্তানই যতেষ্ট একটি হলে ভাল হয় এই বিষয়ে সবাইকে জোরালো ভাবে কাজ করার আহবান জানান।সবাইকে আগামীতে আরও ভাল করার কথা বলেন এবং সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

জনাব মোঃরুহুল আমিন কুষ্টিয়া জেলা শ্রেষ্টত্বের পুরষ্কার ছাড়াও আরও দুইটি পুরষ্কার পান।একটি উপজেলা পর্যায়ে এবং অন্যটি সাপ্তাহিক পুরষ্কার।
উপজেলা পর্যায়ের পুরষ্কার।

জনাব মোঃরুহুল আমিনের শ্রেষ্টত্বের পুরষ্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,

জেলা পর্যায়ের পুরষ্কার পাওয়া খুব কঠিন কাজ নয়।নিয়মিত নিজের কাজ এবং দায়িত্বের উপর সৎ থেকে ভালভাবে কাজ করে গেলেয় নিজেকে শ্রেষ্ট হিসেবে তৈরী করা সম্ভব।তিনি আজ কুষ্টিয়া জেলার শ্রেষ্টত্বের পুরষ্কার পেয়েছেন,অনেক পরিশ্রম,সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কাজ গুলো সঠিকভাবে করার জন্য।তাছাড়া তিনি সবাইকে ভালভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

জনাব মোঃরুহুল আমিন,সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং পরবর্তীতে আরও ভাল কাজ করবেন বলে, আশা ব্যক্ত করেন।

ভিডিও-০১

ভিডিও-০২

ভিডিও-০৩



মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...