সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অল্প বয়সে বড় বাটপার!

ইসমাম পারভেজ কনক
এইচ এম সাকিব মাহমুদ বা সাকিব ফারহান,অল্প বয়সে বড় ধান্দাবাজ!



এইচ এম সাকিব মাহমুদ বা সাকিব ফারহান।এই ছেলেটি বিশাল বড় ধান্দাবাজ।অনলাইনে কাজ দেয়ার মাধ্যমে এবং অনলাইনে কাজ দিবে বলে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।এ যে সাইটে কাজ করে।সে সাইটের টাকা উঠানোর কোন প্রমাণ দিতে পারে না।কিন্তু মিথ্যা কথা বলে যে,সে টাকা পায় এবং অনেক বর অর্থ আয় করে।আসুন দেখি সে কীভাবে টাকা উপায় করে?
আমি তার প্রফাইল চেক করছি।সেখানে লেখা আছে সে পাগল।গ্রুপে তার পোস্ট আছে।সেখানে সে পোস্ট করছে,ফরসেজ একাউন্ট খুলার জন্য ৫০ টাকা ফির কথা বলছে।যেইটা তার বাটপারী ইনকাম।সে যে সাইটে একাউন্ট খুলে কাজ করার কথা বলছে এবং টাকা উপার্জন করা যাবে বলছে,সেইটা সম্পূর্ণ ফেইক।যেইটা সম্পূর্ণ ভাবে ভুয়া।কোনদিনও এই সব সাইট টাকা পেমেন্ট করে না।
আর সাকিব যে টাকা উঠিয়েছে সেইটার প্রমাণ দিতে পারে নাই।সে ৭৩৮ ডলারের স্ক্রিনসট দেখিয়ে সবাইকে বুঝায়।এইটা শুধু দেখায় যায়।কোনদিনও এই টাকা উঠানো সম্ভব না।এই রকম ডলার ইনকাম সাইট অনেক আছে।যেমন- ভিডিও দেখে ডলার ইনকাম।আপনি প্রতিদিন ৫০০ ডলার ৫ ঘন্টার ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পারবেন।কিন্তু এইটা শুধু দেখতেয় পারবেন।কোনদিনও আপনাকে টাকা পেমেন্ট করবে না এবং টাকা উঠাতে পারবেন না।.XYZ নামের ভিডিও দেখে ইনকাম যত সাইট আছে সব গুলায় ভুয়া।তাই এই সব সাইট থেকেও সাবধান হন।
এখন সাকিবের কথায় আবার আসি, সে বলে সে অনলাইনে ইনকাম করে।কিন্তু তার ইনকাম মানুষ ঠকানো ইনকাম।সে সবার কাছ থেকে একাউন্ট খুলার জন্য ৫০ টাকা করে নেয়।এইভাবে যদি প্রতিদিন ১০ জনের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিতে পারে তাহলে মাসে ১৫ হাজার টাকা ইনকাম।যদি ২০ জনার কাছ থেকে ৫০ টাকা নিতে পারে তাহলে প্রতিদিন ১০০০ টাকা,মাসে ৩০ হাজার টাকা ইনকাম।আর এইটা প্রতিদিন বাড়ানোর চিন্তায় বিভিন্ন গ্রুপে এবং পোস্ট ও রেফারেল লিংক দিয়ে ইনভাইট করে থাকে।যারা যারা কাজ করে,কিছুদিন পর যখন বুঝতে পারে এই সাইট ফেইক।কোন টাকা পাওয়া যায় না।তখন কাজ ছেড়ে দেয়।আর সাকিব তাদের ব্লক করে দেয়।৫০ টাকা লস হয়ছে ভেবে কেউ আর কিছু বলে না।আর সামান্য ৫০ টাকা দিয়ে প্রতিমাসে অনেক ডলার ও হাজার হাজার টাকা ইনকাম করা যায়।এই লোভে সবাই সাকিবের ফাঁদে পা দেয়।আর বাটপারীর শিকার হয়।সাকিবের ইনকামের মাধ্যম জনপ্রতি এই ৫০ টাকা।এইটায় তার অনলাইন ইনকাম।
নীচে সাকিবের পোস্টের স্ক্রিনসট এবং তার কিছু ছবি দিলাম।সবাই এই সব ধান্দাবাজ সাকিবদের থেকে সাবধান হন।অনলাইনে ইনকামের নামে অনেকেয় সবাইকে বোকা বানাচ্ছে।আপনি পরিশ্রম করতেছে,টাকা ইনভেস্ট করতেছেন।কিন্তু ফল হিসেবে কিছুই পাচ্ছে না।কারণ অনলাইনের এইসব সাইট কেউই আপনাকে টাকা দেয়ার জন্য বসে নাই।আর ডলার তো কোন ভাবেয় এই সব সাইট থেকে পাওয়ার আশা করবেন না।
পোস্টটি সবাই শেয়ার করুন এবং সবাইকে সাবধান করে দিন,যেন এই সব সাকিবদের কাছ থেকে কেউ প্রতারিত না হন।
অনলাইনে ইনকাম করে বলে যাদের সুপরিচিত মনে করেন,তারা সবাই বাটপারী এবং ধান্দাবাজীর মাধ্যমেয় ইনকাম করে থাকেন।অনলাইন থেকে ইনকাম করা কোন সহজ কাজ নয়।শুধু মাত্র কয়েক একটা সাইটে ইনকাম করা সম্ভব।যেইটা অনেক নিয়ম এবং অনেক সময় দিয়ে অনেক পরিশ্রম করে ইনকাম করা সম্ভব।এর মধ্যে ইউটিউব,ওয়েবসাইট এবং ফেইসবুক অন্যতম।যেইটা গুগুল এডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।আর এই এডসেন্স থেকে ইনকাম করার জন্যই অনলাইনে কাজের মাধ্যমে আপনাদের সবাইকে কিছু সাইটের লোকজন প্রতারিত করছে।আপনাকে অনেক ডলার আর টাকা দিবে বলে,কিছু ওয়েবসাইট এবং ইউটিউবে ভিডিও দেখতে বলে।কারণ তাদের ওয়েবসাইট কেউ ভিউ করে না এবং ভিডিও কেউ দেখে না।তাই তাদের ইনকামও হয় না।তারা কেউ কখনও টাকা পেমেন্ট করে না।কারণ নিজেদেরই টাকা ইনকাম করতে অনেক কষ্ট হয়।আপনাকে কীভাবে টাকা দিবে আর কেন দিবে?তাদের কাজই আপনাকে ঠকিয়ে কাজ করিয়ে নেয়া এবং কোন বোকাকে দিয়ে রেফারেল করিয়ে কাজে অংশগ্রহন করানো।
টাকা একমাত্র গুগুল থেকেয় পাওয়া সম্ভব।আর অন্য মাধ্যমে যারা ইনকাম করেন।তারা হল সাকিবের মত কিছু ধান্দাবাজ।যারা বাটপারী করে মানুষ ঠকিয়ে ইনকাম করে যাচ্ছে।এদের থেকে সবাই সাবধান থাকুন।আর অনলাইনে কাজ করতে চাইলে নিজে ইউটিউবে চ্যানেল খুলুন,ওয়েবসাইট খুলুন আর গুগুল এডসেন্সের মাধ্যমে ইনকাম করার চেষ্টা করুন।

https://www.facebook.com/sojibahmed.ridoy.39 আর এই আইডির সাথে কারোর এড থাকলে ব্লক করে দিন।এইটা বাটপারের আইডি।
আর অবশ্যয় কেউ ভুলেও সাকিবের মত ধান্দাবাজের পাল্লায় পরবেন না।পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে সাবধান হওয়ার সুযোগ করে দিন।ধন্যবাদ।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...