সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রকল্পের কাজ কী শেষ হবে?

ইসমাম পারভেজ কনক



বিস্তারিত, ৬ জানুয়ারি ২০২১ : কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ স্থাপন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৫৫ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি ৩৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এই অবস্থায় আবারও নতুন করে বাড়ানো হচ্ছে ব্যয় ও মেয়াদ। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পে ঘটছে এমন ঘটনা। প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) উঠছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে।

সূত্র জানায়, মূল প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে মোট ২৭৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১২ সালের জানুয়ারি হতে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে বাস্তবায়নের লক্ষ্য ধরা হয়। ২০১২ সালের ৬ মার্চ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয় একনেক। এরপর প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি ছাড়া প্রথম দফায় ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় দফায় ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ব্যয় বাড়িয়ে প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ হয় ৬১১ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নের মেয়াদ ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করে প্রকল্পটির প্রথম সংশোধন করা হয়। এই প্রস্তাব ২০১৮ সালের ২১ জুন একনেকে অনুমোদন লাভ করে। পাশাপাশি ২০১৯ সালের জুনে প্রকল্পটির আন্তঃখাত সমন্বয় করা হয়।

পরবর্তীতে দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৭৪২ কোটি টাকা এবং মেয়াদ ২০১২ সালের জানুয়ারি হতে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করে প্রস্তাব পাঠানো হলে এর ওপর ২০২০ সালের ১২ মার্চ প্রথম পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। পুনর্গঠিত ডিপিপিতে প্রথম পিইসি সভার সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে পালন না করায় গত বছরের ২৬ আগস্ট প্রকল্পটির ওপর দ্বিতীয় পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সব শেষে এখন মোট ৬৮২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১২ সালের জানুয়ারি হতে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরে প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত নির্মাণ কাজের পরিধি ও ব্যয় বৃদ্ধি, জমির পরিমাণ ও ব্যয় হ্রাস, যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র, যানবাহন, এমএসআর সামগ্রী এবং অফিস সামগ্রীর ব্যয় বৃদ্ধি, নতুন কোড সংযোজন ইত্যাদি কারণে প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন প্রয়োজন দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন
প্রকল্প সংশোধনের কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, ২০১৮ সালে পিডব্লিউডির রেট শিডিউল পরিবর্তন হওয়ায় প্রকল্পে ব্যয় বাড়ছে। এছাড়া প্রকল্পে কাজের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করা, নতুন ভৌত কাজ সংযোজন (আনসার ও ড্রাইভার ব্যারাক কাম গ্যারেজ নির্মাণ, সাব স্টেশন ভবন এবং জাতির পিতা ম্যুরাল স্থাপন), জমির পরিমাণ ও ব্যয় হ্রাস, নতুন স্থাপনার জন্য অতিরিক্ত ৮ একর জমির ব্যয় হ্রাসসহ প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান সংশোধন, যন্ত্রপাতির ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় নতুন যন্ত্রপাতির অন্তর্ভুক্তিকরণ করায় ব্যয় বাড়ছে। এছাড়াও আসবাবপত্রের ব্যয় বৃদ্ধি এবং নতুন স্থাপনার আসবাবপত্র অন্তর্ভুক্তিকরণ (যেমন, ইন্টার্র্নি হোস্টেলের আসবাবপত্র), এমএসআর সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি, অর্থ বিভাগের অর্থনৈতিক কোড পরিবর্তনের কারণে নতুন কোড সংযোজন এবং প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রাখার স্বার্থে বাস্তবায়ন মেয়াদ বৃদ্ধি করায় ব্যয় বাড়ছে।

প্রকল্পটি প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) আবুল কালাম আজাদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। কেননা আমি (৫ জানুয়ারি) অবসরে যাচ্ছি। তাই এখন কোনো মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক।

ইসমাম পারভেজ কনক মাশরাফিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে মুশফিক। মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে টপকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখন মুশফিকুর রহিমের দখলে। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ক্যারিয়ারের ২২০তম ম্যাচ খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশের হয়ে ২১৮ ওয়ানডে খেলেছিলেন মাশরাফি। তবে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলায় মাশরাফির মোট ওয়ানডে ম্যাচ ২২০টি। বাংলাদেশের জার্সিতে ২০০ র বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব-তামিমও।

অনলাইনের সকল সাইটের ডলার এক্সচেঞ্জ করুন বিকাশ/রকেট/নগদে।

ইসমাম পারভেজ কনক ফ্রি VIP SKRILL একাউন্ট করতে চাইলে লেখার উপর ক্লিক করুন।অনলাইনে থেকে টাকা উঠানোর জন্য গূরুত্বপূর্ণ একাউন্ট। এখন থেকে অনলাইনে কাজ করে টাকা উঠানোর আর কোন টেনশন নাই।খুব সহজে আপনি অনলাইনে যেকোন সাইটে কাজ করে টাকা উঠাতে পারবেন বিকাশের মাধ্যমে মাত্র ৫ মিনিটে। আমাদের দেশে এখন অনেক ফ্রিলান্সার আছে। যারা অল্প অল্প করে ডলার জমিয়েছে নিজেদের একাউন্টে। তবে সমস্যা হল যখন এই ডলারটির কোন কাজে ব্যবহার করতে না পারে বা ক্যাশ করা নিয়ে।এটাকে টাকা বা চেকে বাংলাদেশে আনতে বেশ পরিশ্রম এবং সময়ের কাজ।আর কাজ করবো টাকা উঠাবো কীভাবে?আমার ব্যাংক একাউন্ট নাই।অনেক সমস্যা ভেবে অনেকেয় কাজ করতে চাই না।আর দুুশ্চিন্তায় ভোগেন।তাই আপনাদের  কথা চিন্তা করে Dollar Store BD সব রকম সাইট থেকেয়  টাকা বিকাশে/রকেটে /নগদে/DBBL এ ৫ মিনিটে মানি এক্সসেঞ্জ করার সার্ভিস চালু করেছে। যেভাবে সার্ভিসটি নেয়া যায়ঃলিংকে যান। লেখার উপর ক্লিক করুন। সেন্ড এ আপনি যে একাউন্ট থেকে টাকা পাঠাবেন।অর্থাৎ আপনি যে সাইটে কাজ করেছেন,সেই সাইটের টাকা উঠানোর কোন সাইটের নাম সেন্ড অপশন থেকে সিলেক্ট করবেন।তারপর রিসিভ এ বিকাশ পারসোনাল/...

খাদ্যে ৭৪ লাখ টন ঘাটতির শঙ্কা!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকে খাদ্যশস্যের উৎপাদন দেশে তিন গুণ বেড়েছে। বৈশ্বিক চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন তৃতীয় অবস্থানে। এ কারণে কভিডকালেও খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়নি বাংলাদেশকে। কিন্তু স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এসে খাদ্যশস্য নিয়ে এ উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে আসছে। করোনাজনিত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের খাদ্যঘাটতিতে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। খাদ্যশস্যের দামে এর প্রভাবও দেখা যাচ্ছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের (গেইন) প্রতিবেদনের তথ্যেও এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ হয়েছে। ‘গ্রেইন অ্যান্ড ফিড আপডেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে চালের উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৪৮ লাখ টন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টন কম। যদিও এ সময় দেশে খাদ্যপণ্যটির চাহিদা থাকবে প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। সে হিসেবে দেশে এবার চালের ঘাটতি দাঁড়াবে প্রায় ১১ লাখ টনে। অন্যদিকে এ সময় দেশে গমের চাহিদা থাকবে প্রায় ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টন। যদিও উৎপাদন হবে মাত্র ১২ লাখ ২০ হাজার টন। সব মিলিয়ে দেশে এবার ...