সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

ইসমাম পারভেজ কনক
আআওয়ামীলীগের দলীয় পতাকাঃছবি সংগৃহীত 

বাঙালি জাতির মুক্তির মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেওয়া উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীনতম ও ঐতিহ্যবাহী সেই বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আজ গৌরবোজ্জ্বল ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

দেশের সব সূচকে অগ্রগতি, সাফল্য আর উন্নয়নের ফানুস উড়িয়েই ৭৩ বছরে পা দিল টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দলটি। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণে জনপ্রিয়তা অর্জন ও দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে আওয়ামী লীগ। বারবার হোঁচট খেয়ে দলটি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন যতটুকু শক্তিশালী, তা যে কোনো রাজনৈতিক দলের জন্য ঈর্ষণীয়।


উপমহাদেশের রাজনীতিতে গত ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে অবিভাজ্য ও অবিচ্ছেদ্য স্বত্ব হিসেবে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ। এদেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামী লীগের ভূমিকা প্রত্যুজ্জ্বল। দলটির বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেই এটি বারবার মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে, ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়েছে।

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা দলটি যখন ইতিহাসের সবচেয়ে ‘সুসময়’ পার করছিল, তখনই সামনে এসেছে এক ব্যতিক্রমী চ্যালেঞ্জ। আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত দলটিকে এবার লড়াই করতে হচ্ছে নতুন মহামারি করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে। করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে মানুষকে বাঁচানো এবং তাদের জীবন-জীবিকার পাশাপাশি স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতির চাকাও সচল রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাতচল্লিশের দেশ ভাগ, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের যুগান্তকারী নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলন সবখানেই সরব উপস্থিতি ছিল আওয়ামী লীগের। অধিকাংশ আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে আওয়ামী লীগের।

রেসকোর্সে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। ছবি: সংগৃহীত

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার কে এম দাস লেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে তত্কালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং শামসুল হককে যথাক্রমে দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। তখন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কারাগারে বন্দি। বন্দি অবস্থায় তাকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রথম কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। ১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে দলের তৃতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয়। ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নতুন নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। পরে কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন।

বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

’৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে দলের আন্তর্জাতিক নীতির প্রশ্নে সোহরাওয়ার্দী-ভাসানীর মতপার্থক্যের কারণে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ ভেঙে যায়। ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আর মূল দল আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হলে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়। ১৯৬৪ সালে দলটির কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান অপরিবর্তিত থাকেন।

১৯৬৬ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাজউদ্দীন আহমদ। এর পরে ১৯৬৮ ও ১৯৭০ সালের কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অপরিবর্তিত থাকেন। এই কমিটির মাধ্যমেই পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।

১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্বেচ্ছায় সভাপতির পদ ছেড়ে দিলে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় পঁচাত্তরে কারাগারে ঘাতকদের হাতে নিহত জাতীয় নেতাদের অন্যতম এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন মো. জিল্লুর রহমান।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আসে আওয়ামী লীগের ওপর মরণাঘাত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি আবারও স্থগিত করা হয়। ১৯৭৬ সালে ঘরোয়া রাজনীতি চালু হলে আওয়ামী লীগকেও পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় যথাক্রমে মহিউদ্দিন আহমেদ ও বর্তমান সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে।

১৯৭৭ সালে এই কমিটি ভেঙে করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। এতে দলের আহ্বায়ক করা হয় সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনকে। ১৯৭৮ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি করা হয় আবদুল মালেক উকিলকে এবং সাধারণ সম্পাদক হন আব্দুর রাজ্জাক। এরপরই শুরু হয় আওয়ামী লীগের উত্থানপর্ব। উপমহাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে তোলার মূল প্রক্রিয়া। সঠিক নেতৃত্বের অভাবে দলের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে নির্বাসনে থাকা বঙ্গবন্ধুকন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

নেতাকর্মীদের সঙ্গে শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন আবদুর রাজ্জাক। আবারও আঘাত আসে দলটির ওপর। ১৯৮৩ সালে আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে দলের একটি অংশ পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে বাকশাল গঠন করে। এ সময় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৮৭ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক হন।

১৯৯২ ও ১৯৯৭ সালের সম্মেলনে শেখ হাসিনা এবং মো. জিল্লুর রহমান যথাক্রমে দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০০ সালের বিশেষ কাউন্সিলে একই কমিটি বহাল থাকে। ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জাতীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনা সভাপতি এবং আব্দুল জলিল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দেশের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়।

তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হওয়ার পর ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে শেখ হাসিনা সভাপতি পদে বহাল থাকেন এবং নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। আর এই কাউন্সিলের মাধ্যমে তারুণ্যনির্ভর কেন্দ্রীয় কমিটি গড়ে তোলেন শেখ হাসিনা।

করোনা বিশ্ব সংহতির জন্য ‘লিটমাস টেস্ট’: প্রধানমন্ত্রী 

শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা

এরপর ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কাউন্সিলে শেখ হাসিনা ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন। ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শেখ হাসিনা সভাপতি পদে বহাল থাকেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক হন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর কাউন্সিলে একই কমিটি বহাল থাকে।

করোনার কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবার জমকালো কোনো আয়োজন নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে ও অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—আজ সূর্যোদয়ের সময় কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন।

বিকাল ৪টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মন্তব্যসমূহ

★★★গত ৭ দিনের সর্বাধিক জনপ্রিয় পোস্টগুলি★★★

কুষ্টিয়া হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে খারাপ সার্ভিসিং ও পার্সের দাম বেশী নেয়ার অভিযোগ

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়াতে হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে গাড়ি সার্ভিসিং বন্ধ করুন,এরা দিনে দুপুরে ডাকাতি করে কুষ্টিয়ার হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টার বিশাল বড় বাটপার।এখানে কেউ গাড়ী সার্ভিসিং করাবেন না।হোন্ডা সার্ভিসিং সেন্টারে আপনার গাড়ির কোনো পার্স নষ্ট না হলেও সেইটা নষ্ট বানিয়ে বিক্রি করে।তাছাড়া হোন্ডার সার্ভিসিং সেন্টারে সকল পার্সের দাম অনেক অনেক বেশী।এরা ১০০ টাকার পণ্য বিক্রি করে ৫০০ টাকায়।আর এদের পার্স আর কেউ বিক্রি করে না এই কথা বলে বেশী টাকা হাতিয়ে নেয়।তাছাড়া ১ বছর গেলেয় এরা সার্ভিসিং ফি নিয়ে থাকে।সার্ভিসিং ফি এর সাথে সাথে আরও যেকোনো পার্স বিক্রির চেষ্টা করে।এরা ১০ টাকা পার্স বিক্রি করে ৫০ টাকা।সাথে আবার সার্ভিস চার্জ।সকল পার্সের দাম বেশী এবং বাটপারি করার অভিযোগে আমি সার্ভিস সেন্টারে গিয়েছিলাম।আমার গাড়ির সামনের ব্রেক সু লাগবে বললাম।কিন্তু বললো নায়।আগে গাড়ির ব্রেক সু এর দাম দাম চেয়েছিল ৬০০ টাকা আর সার্ভিসিং ফি ২০০ টাকা।মোট লাগবে ৮০০ টাকা।কিন্তু আমি পরিবর্তন করি নাই।জানি এরা বাটপারি করতেছে।তারপরে আরও যাচাই বাচাই করার জন্য সময় নিলাম।আর যদি সাথে গাড়ির অন্য কোনো ধরনের ছোট কাজও করায়।তাহলে দ...

একই সাথে দুই পদে সরকারি বেতন-ভাতা নিচ্ছেন কানু!

ইসমাম পারভেজ কনক কানু কুমার নাথ - ছবি : সংগৃহীত চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সচিব কানু কুমার নাথ একই সাথে দুটি পদে গত দুই যুগ ধরে নিয়মিত চাকরি করে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি এতদিন ধরে দুই পদের সরকারি বেতন-ভাতাসহ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে এসেছেন। জানা গেছে, প্রতি মাসে তিনি সরকারি কোষাগার থেকে প্রায় ৭৫ হাজার টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। কানু কুমার নাথ একটি কলেজের বাংলা বিষয়ের এমপিওভুক্ত অধ্যাপক এবং একই সাথে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক ব্যক্তির দ্বৈত জন্ম নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির তথ্য অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কানু কুমার নাথের একই সাথে দুই পদে চাকরি করার তথ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কানু কুমার নাথ চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার হেঁয়াকো বনানী ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিষয়ের অধ্যাপক। ১৯৯৪ সালে নিয়োগ পেয়ে তিনি এ কলেজে এমপিওভুক্ত হন এবং একই পদে কর্মরত আছেন ২৬ বছর ধরে। তথ্য গোপন করে তিনি একই সাথে ১৯৯৫ সাল থেকে ২৫ বছর ধরে হাটহাজারী উপজেলার ৩ নম্বর মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে কর্মরত আছেন। ফটিকছড়ি উপজেলার হে...

যে কারণে সুবর্ণজয়ন্তীর ব্যানারে খালেদা জিয়ার ছবি নেই!

ইসমাম পারভেজ কনক স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বছরব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যানারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি না থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন ব্যানারে কেন খালেদা জিয়ার ছবি নেই। ব্যানারটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সেখানেও দলীয় নেতাকর্মীরা আয়োজক কমিটির কঠোর সমালোচনা করছেন। এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব ও বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।  তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মানেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। বাংলাদেশ মানেই জিয়া। তাই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে শুধু জিয়াকে ফোকাস করতে চেয়েছি। এ কারণে দলীয় চেয়ারপারসনের ছবি ব্যবহার করা হয়নি।’ বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘একই কারণে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিও ব্যবহার করা হয়নি। তা ছাড়া এ কর্মসূচিটাকে আমরা সর্বজনীন করতে চেয়েছি, দলীয় নয়। এ কারণে জিয়ার ছবি ব্যবহার করেছি।’ আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘জিয়া থাকলে বিএনপি থাকবে। জিয়া থাকলেই খালেদা জিয়া থাকবেন, তারেক রহমান থাকবেন। তাই ব্যানারে খালেদা জিয়ার ছবি মু...

যে স্কুলে পড়ার খঁরচ বছরে ১ কোটি ২ লক্ষ টাকা!

ইসমাম পারভেজ কনক সুইজারল্যান্ডের 'ইনস্টিটিউট লা রোসে' পৃথিবীর সবচেয়ে দামি স্কুল। যেখানকার এক বছরের টিউশন খরচ প্রায় ৮৭ হাজার পাউন্ড। অর্থাৎ ১ কোটি ২ লাখ টাকারও বেশি। পাহাড়ের কোলে বিশাল এলাকা জুড়ে এই স্কুলের দু'টি আলাদা ক্যাম্পাস রয়েছে। একটাতে হেমন্ত থেকে গরমকালের ছুটি পর্যন্ত সবাই থাকে। অন্যটাতে বছরের বাকি মাসগুলো।   স্কুলের ভিতরে রয়েছে সুইমিংপুল। বিশাল লাইব্রেরিতে রাখা ২০টির বেশি ভাষায় লেখা অসংখ্য বই। খেলার মাঠ থেকে শুরু করে উন্নতমানের ক্লাসরুম। এত বড় ক্যাম্পাস যে সেখানে স্কুল ছুটির পর ছাত্রছাত্রীরা শীতকালে স্কি করতেও বের হয়ে পড়ে কখনও কখনও।   এই স্কুলের নিয়মকানুন কিন্তু আর পাঁচটা সাধারণ স্কুলের মতোই। প্রতিদিন ক্লাসে, মিটিংয়ে, স্কুলের অনুষ্ঠানে ইউনিফর্ম পরেই থাকতে হয় ছাত্রছাত্রীদের। লেদার জ্যাকেট, জিন্সের জ্যাকেট, হাই হিল, শরীর দেখানো পোশাক পরা এখানে একদমই নিষেধ। অর্থাৎ দামি স্কুল হলেও, চিরাচরিত নিয়ম কিন্তু আছেই এখানে।  

নিখোঁজের দু'দিন পর বাড়ির পাশের আবর্জনা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার!

ইসমাম পারভেজ কনক কুষ্টিয়ার কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের মধ্য হোগলাপাড়া গ্রামে স্বামীর বসতবাড়ির পার্শ্ববর্তী আবর্জনার স্তুপ থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার  হয়েছে। শনিবার দুপুরে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ ।  এলাকাবাসী জানান, ১ বছর আগে কুমারখালীর তেবাড়িয়া গ্রামের রেফাজের মেয়ে রেশমার সাথে হোগলাপাড়া গ্রামের ওহাবের ছেলে সুমনের বিয়ে হয়। নরসুন্দর সুমন মাদকাসক্ত থাকায় বিয়ের পর থেকে চলতে থাকে পারিবারিক কলহ। গত পরশু রাতে পারিবারিক কলহের পর থেকে রেশমা নিখোঁজ ছিল। শনিবার ভোরে বাড়ির পাশে দুর্গন্ধের উত্স খুঁজতে খড়ের আবর্জনা সরালে নিহত রেশমার লাশ দেখতে পাওয়া যায়। থানায় খবর দিলে  পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ  মজিবুর রহমান জানান, নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে তাকে ধরতে জোর চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে হত্যার সঠিক কারণ জানা যাবে।

কিশোরীর সম্ভ্রমের মূল্য ৩ লাখ টাকা : ধর্ষক গ্রেপ্তার!

ইসমাম পারভেজ কনক মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীর সম্ভ্রমের মূল্য ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছেন সমাজপতিরা। সংবাদকর্মীদের কাছে এ খবর পেয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ধর্ষক মুফতি আমির হামজাকে গভীর রাতে গ্রেপ্তার করেছে জাজিরা থানা পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আমির হামজাকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার সকালে ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী এবং তার বাবাকে থানায় ডেকে নেয় পুলিশ। নির্যাতিত শিশুটির জবানবন্দির ভিত্তিতে জাজিরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯/১/৩০ ধারায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষিতার পিতা। ধর্ষণের শিকার মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। . শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের মাঝিরঘাট সংলগ্ন পাইনপাড়ার চরে অবস্থিত বায়তুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসায় ৯ বছর বয়সের এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে। মুফতি হামজা স্থানীয় আজিজ শেখের ছেলে। মুফতি হামজা বিবাহিত এবং তার ১১ মাস বয়সের এক কন্যা সন্তান আছে। . বিশ্বস্ত সূত্রের ভিত্তিতে ঘটনার তিন দিন পর শরীয়তপুরের কয়েকজন সংবাদকর্মী শুক্রবার সরেজমিনে জানতে পারেন...

বন্ধ হচ্ছে বহু জিমেইল অ্যাকাউন্ট!

ইসমাম পারভেজ কনক প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল-এর মেইলিং সার্ভিস জিমেইল তাদের সেবা ব্যবহারকারীদের বহু অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির নতুন নিয়মের কারণে আগামী জুন মাস থেকে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, আগামী জুন থেকে গুগল ফটোজে বিনামূল্যে ছবি রাখার সুবিধাও তুলে নেয়া হবে। নতুন নীতি অনুযায়ী ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে যে সমস্ত অ্যাকাউন্টগুলো ইনঅ্যাকটিভ রয়েছে, সেগুলো পুরোপুরি ডিলিট করে দেওয়া হবে। তবে এ নিয়ম কার্যকরের আগেই প্রত্যেক অ্যাকাউন্টধারীকে ই-মেইল মারফত সতর্কবার্তা পাঠানো হবে গুগলের পক্ষ থেকে। গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যবহারকারীরা আর বিনামূল্যে গুগল ফটোজ ব্যবহার করতে পারবেন না। এছাড়া যে সমস্ত অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা জিমেইল, গুগল ড্রাইভ, ডকুমেন্টস, শিটস, স্লাইডস, ড্রইংস, ফর্মস এবং জ্যামবোর্ড ফাইলস ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহার করেননি, তাদের সেই সমস্ত অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেওয়া হবে। অবশ্য, ইনঅ্যাক্টিভ অ্যাকাউন্ট হোল্ডারদের বিশ্বাসযোগ্য কন্টাক্টসদের কাছে তাদের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৌঁছে দেওয়ার...

বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট ম্যাচের সংক্ষিপ্ত স্কোর!

ইসমাম পারভেজ কনক   সংক্ষিপ্ত স্কোর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ম ইনিংস:  ৪০৯ বাংলাদেশ ১ম ইনিংস:  ২৯৬ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২য় ইনিংস:  (আগের দিন ৪১/৩) ৫২.৫ ওভারে ১১৭ (বনার ৩৮, ওয়ারিক্যান ২, মেয়ার্স ৬, ব্ল্যাকউড ৯, জশুয়া ২০, জোসেফ ৯, কর্নওয়াল ১, গ্যাব্রিয়েল ১*; তাইজুল ২১-৪-৩৬-৪, নাঈম ১৫.৫-৫-৩৪-৩, মিরাজ ৬-১-১৫-১, আবু জায়েদ ১০-৪-৩২-২)। বাংলাদেশ ২য় ইনিংস :  (লক্ষ্য ২৩১) ৬১.৩ ওভারে ২১৩ (তামিম ৫০, সৌম্য ১৩, শান্ত ১১, মুমিনুল ২৬, মুশফিক ১৪, মিঠুন ১০, লিটন ২২, মিরাজ ৩১, তাইজুল ৮, নাঈম ১৪, আবু জায়েদ ০*; কর্নওয়াল ৩০-৫-১০৫-৪, জোসেফ ২-০-১৬-০, গ্যাব্রিয়েল ২-০-৮-০, ওয়ারিক্যান ১৬.৩-৪-৪৭-৩, ব্র্যাথওয়েট ১১-১-২৫-৩)। ফল:  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৭ রানে জয়ী। সিরিজ:  ২ ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২-০ ব্যবধানে জয়ী। ম্যান অব দা ম্যাচ:  রাকিম কর্নওয়াল। ম্যান অব দা সিরিজ:  এনক্রমা বনার।

অনলাইনে ৩টি সাইটে কাজ করে প্রতিমাসে ১০০০ ডলার ইনকামের উপায়।

ইসমাম পারভেজ কনক ০১★ পিটিসি সাইট বা স্টার ক্লিকসে প্রতিমাসে ২৫০ ডলার ইনকাম করতে যোগ দিন।লেখার উপর ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন। পিটিসি সাইট এখানে প্রতিদিন ১০ টি বা তার বেশী ADD লেখা কিছু সাইট থাকবে।সেখানে শুধু ক্লিক করতে হবে।একটা করে ক্লিক করতে হবে আর ব্যাকে আসতে হবে।প্রতি ক্লিকে একাউন্টে ডলার যোগ হবে।আর রেফারেল করতে পারলে ইনকাম আরও বৃদ্ধি পাবে। সব থেকে সহজ কাজ এইটা।প্রতিদিন মাত্র ১০ থেকে ২০ সেকেন্ড সময় লাগবে। রেজিষ্ট্রেশনের নিয়ম দেখুন। সাইন আপ বা রেজিষ্ট্রেশন করতে লেখার উপর ক্লিক করুন। অবশ্যয় ইমেইল এবং পাসওয়ার্ড মনেে রাখতে হবে। রেজিষ্ট্রেশনের জন্য লেখার উপর ক্লিক করুন। ০২★★ জিপিটি সাইট বা সার্ভেতে প্রতিমাসে ৫০০ ডলার ইনকামের জন্য যোগ দিন ও রেজিষ্ট্রেশন করতে লেখার উপর ক্লিক করুন। জিপিটি সাইটে এড ক্লিক,সার্ভে এবং রেফারেল থেকে ইনকাম।সারাদিন যত গুলো ইচ্ছা সার্ভে করা যাবে।সার্ভে মানে আপনার নিজের সম্পর্কে ১০ টি করে প্রশ্ন করবে।প্রত্যেক প্রশ্নের অপশন দেয়া থাকবে।আপনাকে সিলেক্ট করে উত্তর দিতে হবে।প্রতি ১০ টি প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনাকে পেমেন্ট দেয়া হবে। রেজিষ্ট্রেশনের নিয়ম দেখুনঃ রেজিষ্ট্রেশন ...

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক ইমামের ইন্তেকাল!

ইসমাম পারভেজ কনক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হোসেন তৌফিক (এইচ টি) ইমাম ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১ টা ১৫মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া রাত ১টা ২০ মিনিটে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত বেদনার সাথে জানাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব এইচ টি ইমাম রাত ১.১৫ টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। জানাজা এবং দাফনের বিষয়টি পরে অবহিত করা হবে।’